ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে ইমপিচ করার জন্য বিরোধীদের দেওয়া নোটিশ সংসদের দুই কক্ষে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। গত ১২ মার্চ বিরোধীরা এই নোটিশটি জমা দিয়েছিল । এতে লোকসভার ১৩০ জন সদস্য ও রাজ্যসভার ৬৩ জন সদস্য স্বাক্ষর করেছিলেন। এই নোটিশে অন্যান্য অভিযোগের পাশাপাশি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে নির্বাহী বিভাগের "অধীনস্থ" এবং "একটি সাংবিধানিক পদের ক্ষমতা ও অবস্থানের ইচ্ছাকৃত ও পরিকল্পিত অপব্যবহারের" জন্য অভিযুক্ত করা হয়।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের দাবিতে এই প্রথমবার ইমপিচমেন্ট নোটিশ দেওয়া হয়েছিল।
সোমবার রাজ্যসভা ও লোকসভা সচিবালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, "সতর্ক ও বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়নের" পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের দাবিতে পাঠানো নোটিশ রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণন এবং লোকসভার স্পিকার ওম বিরলা প্রত্যাখ্যান করেছেন। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে বিরোধীরা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়েছিল। অভিযোগ, এটি তাদের সমর্থকদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপ। তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস সম্প্রতি দুটি প্রস্তাবের নিষ্পত্তিতে বিলম্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল।
সোমবার সন্ধ্যায় প্রচারিত বুলেটিনে রাজ্যসভা সচিবালয় জানিয়েছে, "জড়িত সমস্ত প্রাসঙ্গিক দিক এবং বিষয়গুলির সতর্ক ও বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়নের পর, রাজ্যসভার চেয়ারম্যান, ১৯৬৮ সালের বিচারক (তদন্ত) আইনের ৩ ধারার অধীনে তাঁকে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে, উক্ত নোটিশ অফ মোশনটি গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন।"
লোকসভা সচিবালয়ও একই ধরনের একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩২৪(৫) এবং অনুচ্ছেদ ১২৪(৪) অনুসারে, একজন মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারপতির অনুরূপ পদ্ধতিতে পদ থেকে অপসারণ করা যায়।
ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে ইমপিচ করতে বিরোধীদের দেয়া নোটিশ সংসদের দুই কক্ষেই প্রত্যাখ্যান
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা
ভারত
৩ মাস আগে
৭ এপ্রিল (মঙ্গলবার), ২০২৬, ১১ঃ২০ (পূর্বাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
