সংসদে মানুষের দৈনন্দিন কষ্ট নিয়ে কথা হচ্ছে না। কথা হচ্ছে, জুলাই, গণভোট ইত্যাদি নিয়ে। সংসদে নানা ইস্যু নিয়ে সংসদে সময় ক্ষেপণ করা হচ্ছে। তেলের দাম নিয়ে কথা বলা উচিত। আমরা বর্তমান সরকারকে সময় দিতে চাই। এখন বিশ্বের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি। আমরা এই সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা করতে চাই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টি একাংশের চেয়ারম্যান ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের (এনডিএফ) প্রধান ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ।
রোববার রাজধানীর গুলশানে একটি কমিউনিটি সেন্টারে জাতীয় পার্টি (আনিসুল) ও এনডিএফ’র আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। লাঙ্গল প্রতীকের বিষয়ে ব্যারিস্টার আনিস বলেন, কিছুদিনের মধ্যে উচ্চ আদালতে লড়বো। আশা করি এই প্রতীক আমরা পাবো। ২/৩ সপ্তাহের মধ্যে এই প্রতীক আমরা পাবো।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের মুখপাত্র এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার। তিনি বলেন, ক্ষমতায় গেলে অনেকেই অতীত ভুলে যায়। কিন্তু ব্যতিক্রম দেখলাম আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। সরকার প্রধান হয়েও, তিনি অত্যন্ত সাধারণভাবে জীবনযাপন করছেন। কোন দম্ভ অহংকার তার মাঝে দেখা যাচ্ছে না। তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ছেলে। কিন্তু তার চলাফেরা অত্যন্ত সাধারণ মানুষের মতো। রাস্তায় দাঁড়িয়েও তার সঙ্গে সাধারণ মানুষ কথা বলতে পারছেন। সকাল আটটার মধ্যে অফিসে চলে যাচ্ছেন, কাজ করছেন রাত পর্যন্ত। যেটি নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। একইসঙ্গে সরকারের দেড় মাসের প্রায় সকল কাজই অত্যন্ত ইতিবাচক বলে মনে হয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করব। তবে এমন কোনো সমালোচনা করা রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত হবে না, যে সমালোচনার কারণে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ব্যাহত হয়। গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ব্যাহত হলে দেশে কি পরিস্থিতি হয় সেটি ইউনূস সরকার দেখিয়ে দিয়ে গেছে।
এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার আরো বলেন, ইরান যুদ্ধের কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। আমাদের দেশেও হয়তো জ্বালানি সংকট হতে পারে। সরকার চেষ্টা করছে জ্বালানি সংকট নিরসন করার জন্য। কিন্তু নাগরিক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। এ সময় জ্বালানি ব্যবহারে আরো সাশ্রয়ী হওয়া দরকার।
ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির (আনিসুল) সিনিয়র কো- চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট কাজী ফিরোজ রশিদ, নির্বাহী চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট মুজিবুল হক চুন্নু, কো- চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, জাতীয় পার্টি জেপি মহাসচিব শেখ মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, জনতা পার্টি বাংলাদেশ চেয়ারম্যান ও এনডিএফের সমন্বয়কারী গোলাম সরোয়ার মিলন, মুসলিম লীগ সভাপতি এডভোকেট মহসিন রশিদ, জাতীয় ইসলামিক জোট চেয়ারম্যান আবু নাসের ওয়াহেদ ফারুক প্রমুখ।
সংসদে মানুষের কষ্ট নিয়ে কথা হচ্ছে না: আনিসুল ইসলাম মাহমুদ
স্টাফ রিপোর্টার
অনলাইন
২ মাস আগে
৫ এপ্রিল (রবিবার), ২০২৬, ৬ঃ১৯ (অপরাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
