পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব ও জিয়া সাইবার ফোর্সের উপজেলা সদস্য সচিব ইমরান হোসেন সোহাগ হত্যার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে থানা ঘেরাও এবং বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ব্যানার নিয়ে ঈশ্বরদী থানার প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নেন। সেখানে ঘণ্টাখানেক অবস্থানকালে তারা এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ জানান এবং আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন- জিয়া সাইবার ফোর্স পৌর শাখার আহ্বায়ক মাহমুদুল ইসলাম শাওন, ফরিদ ও লালনসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা। অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তারা পুলিশের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন। ছাত্রদল নেতাদের অভিযোগ, যুবলীগ নেতা মিলন চৌধুরীর বাড়িতে পাহারার ব্যবস্থা করলেও নিহতের পরিবারকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। খুনিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাদের ধরছে না, বরং নিহতের পরিবারকে উল্টো নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। একই দাবিতে শুক্রবার বিকালেও বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করা হয়েছে। সমাবেশে বক্তারা খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবি জানান। ছেলের মৃত্যুতে শোকাতুর বাবা মো. ইমানুল হক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ছেলেকে যারা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে, তারা এখনো গ্রেপ্তার হয়নি। উল্টো আমাদের পরিবারকে নানাভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে। পুলিশ আসামিদের বাড়িতে পাহারা দিচ্ছে। এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ওসি মমিনুজ্জামান বলেন, হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে সাঁড়া গোপালপুর উচ্চবিদ্যালয়ের পাশে একটি চায়ের দোকানে বন্ধুদের সঙ্গে বসে ছিলেন সোহাগ। ওই সময় একদল মুখোশধারী দুর্বৃত্ত তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা হত্যার ঘটনায় থানা ঘেরাও
ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি
৫ এপ্রিল (রবিবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
