দেশের বিভিন্ন উপজেলা, জেলা এবং বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থায় নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। আর তাই অ্যাডহক কমিটি ভেঙে নির্বাচনকালীন নতুন অ্যাডহক কমিটি দেয়া হয়েছে। প্রশাসনিক পুনর্গঠনের মধ্যেই জাতীয় কারাতে প্রতিযোগিতা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে ফেডারেশন। ১৬-১৮ এপ্রিল নির্ধারিত এই আয়োজনকে ঘিরে ক্রীড়াঙ্গনে তীব্র সমালোচনা হচ্ছে। প্রশ্ন উঠেছে, তড়িঘড়ি করে কেন জাতীয় কারাতের মতো বড় আয়োজন করা হচ্ছে। সম্প্রতি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক মো. দৌলতুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সকল অ্যাডহক কমিটি বাতিল করা হয়। একইসঙ্গে এ সংক্রান্ত পূর্ববর্তী সব নির্দেশনাও রহিত করা হয়েছে। ফলে দেশের ক্রীড়া প্রশাসনের তৃণমূল স্তর কার্যত অচল হয়ে পড়েছে এবং অধিকাংশ জেলা ক্রীড়া সংস্থা এখন কার্যকর কমিটিহীন অবস্থায় রয়েছে। এমন বাস্তবতায় জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা আয়োজন কতটা যৌক্তিকতা নিয়েই উঠছে বড় প্রশ্ন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী জেলা পর্যায়ে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে খেলোয়াড় নির্বাচন করা হয়। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে অকার্যকর। ফলে প্রকৃত প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বাদ দিয়ে একটি সীমিত গোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তড়িঘড়ি করে প্রতিযোগিতা আয়োজনের পেছনে একটি নির্দিষ্ট পক্ষের নির্বাচনী সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্য কাজ করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কারণ, এখন জেলা পর্যায়ে কোনো কার্যকর কমিটি নেই, খেলোয়াড়দের প্রস্তুতির সুযোগ নেই, এরপরও এমন আয়োজনের চেষ্টা স্বাভাবিক ক্রীড়া ব্যবস্থাপনার অংশ হতে পারে না। তারা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এ বিষয়ে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, কোনো তড়িঘড়ি নয়, ডিসেম্বর মাসেই জেলাগুলোকে জানানো হয়েছে। এছাড়াও জুলাইয়ে ঢাকায় সাউথ এশিয়ান কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপের খেলা হবে। জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে পদকজয়ীদের আন্তর্জাতিক ওই টুর্নামেন্টে অংশ নেয়ার কথা। তাই দ্রুতই জাতীয় এই টুর্নামেন্ট শেষ করতে হবে।
জাতীয় কারাতের তড়িঘড়ি আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন
স্পোর্টস রিপোর্টার
৪ এপ্রিল (শনিবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
