ভারতের বিহার আর পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি অঞ্চল নিয়ে আলাদা রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। শুক্রবার উত্তরবঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে এই বিস্ফোরক দাবি করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, তার আগেই ওরা হারবে। ২০২৬-এই হারাব।
সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছুদিন ধরে এই পৃথক রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল নিয়ে গুঞ্জন জোরালো হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই জল্পনাকে আরও উস্কে দিয়ে বলেছিলেন, কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) বাংলাকে বিভক্ত করার চেষ্টা করছে। বিহারের সীমাঞ্চল অঞ্চল (পূর্ণিয়া, কাটিহার, কিষাণগঞ্জ, আরারিয়া) এবং পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাঞ্চলীয় জেলাগুলিকে (মালদহ, উত্তর দিনাজপুর এবং শিলিগুড়ি করিডোর) সংযুক্ত করে একটি নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরি করা হবে বলে জল্পনা শুরু হয়। এদিকে সঙ্গে শিলিগুড়ি করিডোর রক্ষার জন্য সম্প্রতি কিষাণগঞ্জ ও পশ্চিমবঙ্গে নতুন পোস্ট স্থাপন করেছে ভারতীয় সেনা। এদিকে উত্তরবঙ্গকে আলাদা একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার দাবি বহুদিনের। এই পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গ ভোটের আগে জল্পনা তৈরি হয় নয়া কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল নিয়ে। তবে কয়েকদিন আগেই ভারত সরকারের তরফ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, উত্তরবঙ্গ এবং বিহার মিলিয়ে পৃথক কোনও রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার পরিকল্পনা নেই। পৃথক রাজ্যের এই গুঞ্জন পুরোপুরি ভিত্তিহীন।
এদিকে প্রচারের মঞ্চ থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধেও মমতা বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন । তিনি বলেন, 'ভোটের দিন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দিয়ে ভোটারদের আটকানো হতে পারে।
মমতার বিস্ফোরক দাবি
পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের কিছু অংশ নিয়ে আলাদা রাজ্য করার পরিকল্পনা চলছে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা
ভারত
৩ মাস আগে
৩ এপ্রিল (শুক্রবার), ২০২৬, ৮ঃ৪৮ (অপরাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%

Sahil
৩ মাস আগেদিদি আর দেরি করবেন না এটা হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। আর আপনার এখনো যে জনপ্রিয়তা আছে আপনার পক্ষেই সম্ভব এই কাজটা সমাধান করা যেটা দেশ বিভাগের আগে ১৯৪৭ সালে এ ধরনের একটা চিন্তা ভাবনা ছিল শেরেবাংলা ফজলুল হকের গ্রেটার বেঙ্গল। সত্যি সত্যি কাজটি করতে পারলে এই অঞ্চলে শান্তিতে থাকবে এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের অনেক উন্নয়ন হবে যা উভয় পক্ষের জন্য কল্যাণকর।