মার্কিন সেনাপ্রধান বরখাস্ত, পেন্টাগনে উত্তেজনা

মার্কিন সেনাপ্রধান বরখাস্ত, পেন্টাগনে উত্তেজনা

ফন্ট সাইজ:

যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ জেনারেল র‍্যান্ডি জর্জকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ তাকে বরখাস্ত করেন। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। পেন্টাগনের শীর্ষ পর্যায়ে সাম্প্রতিক রদবদলের ধারাবাহিকতায় এটি সর্বশেষ পদক্ষেপ।
যুদ্ধকালীন সময়ে একজন সক্রিয় জেনারেলকে বরখাস্ত করা প্রায় নজিরবিহীন বলে মনে করা হচ্ছে। পেন্টাগন এক বিবৃতিতে জানায়, জর্জ তার দায়িত্ব থেকে অবিলম্বে কার্যকরভাবে অবসর নিচ্ছেন। তার দীর্ঘ সামরিক সেবার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সংস্থাটি তাকে শুভকামনা জানিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই কর্মকর্তা জানান, হেগসেথ একই সঙ্গে আর্মির ট্রান্সফরমেশন অ্যান্ড ট্রেনিং কমান্ডের প্রধান জেনারেল ডেভিড হডনে এবং আর্মি চ্যাপলেইন কর্পসের প্রধান মেজর জেনারেল উইলিয়াম গ্রিনকেও সরিয়ে দিয়েছেন।
জর্জকে অপসারণের কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে এই সিদ্ধান্ত এমন সময়ে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছে এবং ইরানবিরোধী অভিযান চালাচ্ছে। এসব অভিযানে মূলত নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী নেতৃত্ব দিলেও আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য সেনাবাহিনীর সদস্যদেরও মোতায়েন করা হয়েছে।
এদিকে, সম্ভাব্য স্থল অভিযানের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজাত ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের কয়েক হাজার সেনা মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাতে শুরু করেছে।
হেগসেথ ও জর্জের মধ্যে প্রকাশ্যে কোনো মতবিরোধের ইঙ্গিত আগে পাওয়া যায়নি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে হেগসেথ বেশ কিছু বিতর্কিত পদক্ষেপ নিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে আর্মির শীর্ষ আইন কর্মকর্তাকে অপসারণ এবং সেনাবাহিনীর ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজ আয়োজন।
এক কর্মকর্তা জানান, জর্জের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব পালন করবেন আর্মির ভাইস চিফ অব স্টাফ জেনারেল ক্রিস্টোফার লানেভ। আরেক কর্মকর্তা বলেন, জর্জের অপসারণের খবরটি শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা গণমাধ্যমে প্রকাশের সময়ই জানতে পারেন।
২০২৩ সালে জর্জ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে নিয়োগ পান। সাধারণত এ পদে মেয়াদ চার বছর হয়ে থাকে। এর আগে তিনি আর্মির ভাইস চিফ এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনের সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
জর্জকে আর্মি সেক্রেটারি ড্যান ড্রিসকোলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। তারা একসঙ্গে প্রতিরক্ষা খাতে বড় কোম্পানিগুলোর সঙ্গে চুক্তি ও অস্ত্র উন্নয়ন প্রক্রিয়া দ্রুততর করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন।
তার অপসারণ পেন্টাগনের শীর্ষ নেতৃত্বে সাম্প্রতিক অস্থিরতাকে আরও তীব্র করেছে। এর আগে জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল সি.কিউ. ব্রাউন, নৌবাহিনীর প্রধান এবং বিমানবাহিনীর ভাইস চিফকেও সরানো হয়েছিল। এ বিষয়ে জর্জের দপ্তর থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

Zakaria

২ মাস আগে

Trump is great stupid. please kick out from America.

<•|.>

২ মাস আগে

“Trump” is a huge “embarrassment” for the civilized world!
I feel extremely sorry for the “good” people of USA!

,A R Sarker

২ মাস আগে

এভাবেই আমেরিকা ভিতর থেকে দুর্বল হওয়া জরুরি।

মন্তব্য করুন