চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কন্টেইনার পাচার, ৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার

ফন্ট সাইজ:

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে জালিয়াতির মাধ্যমে পণ্যভর্তি একটি কন্টেইনার পাচারের ঘটনা ঘটেছে, তবে প্রায় ৭ ঘণ্টা পর অভিযান চালিয়ে সেটি উদ্ধারও করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের ধরতে তদন্ত শুরু হয়েছে। বন্দর সূত্রে জানা যায়, ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করে একটি কন্টেইনার পাচারের চেষ্টা করা হয়। কন্টেইনারটির এজেন্ট কন্টিনেন্টাল ট্রেডার্স, রোটেশন নম্বর ২৫/৩৮৭১ এবং ভেসেল ‘স্বদেশী চিটাগাং’। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ফাহিম এটেয়ার অ্যান্ড কম্পোজিট লিমিটেড। তবে কন্টেইনারটিতে কী ধরনের পণ্য ছিল তা নিয়ে এখনো কোনো তথ্য দেয়নি বন্দর কর্তৃপক্ষ। তদন্তের পর পণ্য সম্পর্কে তথ্য দেয়ার কথা জানিয়েছেন বন্দর কর্মকর্তারা। গত ৩১শে মার্চ ভোর সাড়ে ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটলেও বিষয়টি জানাজানি হয় বৃহস্পতিবার। বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়াত হামিম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ফাহিম এটেয়ার অ্যান্ড কম্পোজিট লিমিটেডের নামে আসা পণ্যের চালানটি কন্টিনেন্টাল ট্রেডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে খালাসের প্রক্রিয়ায় ছিল। তবে জেএস ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের নামে ভুয়া অন-চেসিস অনুমতিপত্র, চালান ও গেট পাস তৈরি করে ৩১শে মার্চ ভোর সাড়ে ৪টার দিকে কন্টেইনারটি বের করা হয়। পরে চট্টমেট্রো-ঢ-৮১-২৩৬৪ নম্বরের ট্রেইলারটি সিপিএআর গেট দিয়ে বন্দর এলাকা ত্যাগ করে। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ধরা না পড়লেও পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন্দর কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা বিভাগ সতর্ক হয়। এর পর গোয়েন্দা তৎপরতায় কন্টেইনারটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরবর্তীতে একইদিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরের হালিশহর বারনীঘাট এলাকায় শাহ্‌জালাল ট্রাক টার্মিনালের পাশে অবস্থিত বিএমডি সাইফুল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ নামের একটি গ্যারেজে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ট্রেইলারসহ কন্টেইনারটি আটক করা হয়। তবে অভিযানের সময় পাচারের সঙ্গে জড়িতরা পালিয়ে যায়।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়াত হামিম বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করতে উচ্চপর্যায়ের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি বন্দর থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন