চুয়াডাঙ্গা জেলায় জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিপণন স্বাভাবিক রাখতে ‘ফুয়েল কার্ড’ বিতরণ শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। গতকাল সকাল ৯টা থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। ফুয়েল কার্ড পেতে সোমবার সকাল ৬টা থেকেই লাইনে দাঁড়ায় গ্রাহকরা। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ফুয়েল কার্ডের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে কার্ড সংগ্রহের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষাও করতে হয় তাদের। এ সময় ফুয়েল কার্ডপ্রত্যাশী দু’জন হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। রোববার চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের এক সভায় জানানো হয়, ৩০ ও ৩১শে মার্চ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে যানবাহনের জন্য ফুয়েল কার্ড বিতরণ শুরু হবে। কার্ড সংগ্রহ করতে হলে সংশ্লিষ্ট যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন নম্বর, চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স নম্বর এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি জমা দিতে হবে। আগামী ১লা এপ্রিল থেকে শুধুমাত্র ফুয়েল কার্ডধারী যানবাহনেই জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হবে। প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত জেলার ২২টি পাম্পে একযোগে তেল বিক্রি চলবে। তবে কৃষকদের জন্য এ নিয়ম শিথিল রাখা হয়েছে। কৃষিকাজে ব্যবহৃত ডিজেল আগের মতোই ২৪ ঘণ্টা বিক্রি করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করতে এসে মোটরসাইকেলচালক আব্দুস সামাদ বলেন, ‘ফুয়েল কার্ড’ পেয়ে আমি খুবই খুশি। এখন তেল নিতে আর ভোগান্তি পোহাতে হবে না। আরেক গ্রাহক সোহানুর রহমান বলেন, সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ফুয়েল কার্ড নেয়ার জন্য দাঁড়িয়ে আছি। গাড়ির কাগজপত্র জমা দিলে কার্ড দিচ্ছে। এভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে জনগণের হয়রানি হয়ে যাচ্ছে। এটা যদি ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে হতো। তাহলে সবার জন্য সুবিধা হতো। চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বিএম তারিক উজ জামান বলেন, ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি সংগ্রহ শুরু হলে তেলপাম্পগুলোতে বিশৃঙ্খলা রোধ করা যাবে। জ্বালানি সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা অনেকটাই স্বাভাবিক হবে।
চুয়াডাঙ্গায় ‘ফুয়েল কার্ড’ বিতরণ শুরু
গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন, হাতাহাতি
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
৩১ মার্চ (মঙ্গলবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
