রেলগেটটি প্রশস্ত নয়, স্টেশনের কাছে হওয়ায় ঘন ঘন ইঞ্জিনের সান্টিং (আসা-যাওয়া) এর কবলে পড়ে এলাকাটি। এতে রেলগেটের উভয়পাশে সৃষ্টি হয় ভয়াবহ যানজটের। এতে করে মানুষের কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়, দুর্ভোগেও পড়তে হয় সকলকে। নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভা সূত্র জানায়-প্রায় ৪০ বর্গকিলোমিটার সৈয়দপুর শহরের আয়তন। এ শহরে রয়েছে প্রায় চার লাখ মানুষের বসবাস। শহরটিকে বিভক্ত করেছে রেললাইন। শহরের ২নং রেলগেটটি অপ্রশস্ত হওয়ায় প্রতিদিনই ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। অপ্রশস্ত এ রেলগেটটি দিনেরাতে ট্রেন চলাচলের কারণে ১০ থেকে ১২ বার বন্ধ করতে হয়। এ ছাড়া স্টেশনের লাইন পরিবর্তনের জন্য একাধিকবার ইঞ্জিন সান্টিং করে ওই এলাকায়। মাত্র ৩০ ফুট প্রশস্ত রেলগেটটি ৬০ ফুট প্রশস্ত করে ওয়ানওয়ে ব্যবস্থা গড়ে তোলা হলে যানজট পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে এলাকাবাসীর অভিমত। সরজমিন গেলে দেখা যায়, প্রধান ডাকঘর সংলগ্ন ২নং রেলগেট এলাকায় একটি ব্রডগেজ লাইনের ইঞ্জিন সান্টিং করছিল। গেটম্যান ব্যারিয়ার নামানোর আগে বেশকিছু যানবাহন রেললাইনে ঢুকে পড়ে। তবে ইঞ্জিনচালকের দক্ষতায় যানবাহনগুলো অল্পের জন্য দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পায়। এ সময় সেখানে কথা হয় সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ওয়াসিম বারী জয়ের সঙ্গে। তিনি বলেন, রেলগেটটি অতিদ্রুত সম্প্রসারণ হওয়া জরুরি। এটি শহরের মাঝামাঝি হওয়ায় শহরের উভয়পাশের শত শত যানবাহন এ পথে চলাচল করে থাকে। এ ব্যাপারে সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌরসভার প্রশাসক ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা জানান, ভয়াবহ যানজটের কথা বিবেচনায় দ্রুত বিষয়টি রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে প্রশস্ত করার জন্য চিঠি দেয়া হবে।
সৈয়দপুর রেলওয়ে পূর্ত বিভাগের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী (এইএন) তহিদুল ইসলাম জানান, রেলগেটটির দক্ষিণ অংশে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করে গেটটি প্রশস্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি পেলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অপ্রশস্ত রেলগেটের কারণে সৈয়দপুরে ভয়াবহ যানজট, ভোগান্তি
সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি
৩১ মার্চ (মঙ্গলবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
