মমতার সরকারের বিরুদ্ধে বিজেপির চার্জশিট

যশোর-খুলনাকে ভারতে আনার উস্কানি

ফন্ট সাইজ:

অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের সোচ্চার হয়েছে বিজেপি। সম্প্রতি এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ কমিটির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য খিদিরপুর, মহেশতলা এবং মুর্শিদাবাদের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলির প্রসঙ্গ টেনে অভিযোগ করেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ধর্মীয় মেরুকরণ বাড়ানো হয়েছে। তার দাবি, সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে জনবিন্যাসেও পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশের অভিযোগও ফের তোলেন তিনি।

বিতর্ক উস্কে দিয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ থেকে কেউ এলে নিজের জমি নিয়েই আসুক। না হলে যারা পাঠাচ্ছেন, তাদেরই যশোর-খুলনা ভারতের সঙ্গে যুক্ত করে দেওয়া উচিত।”

বহিষ্কৃত তৃণমূল কংগ্রেস নেতা হুমায়ুন কবীরকে ঘিরেও আক্রমণ করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তার অভিযোগ, কিছু এলাকায় 'মিনি পাকিস্তান'-এর মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে প্রকাশ্যে ধর্মীয় প্রচার চলছে। এই বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের নিষ্ক্রিয়তাকেও তুলে ধরেন তিনি।

শনিবার কলকাতা সফরে এসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ তৃণমূলের ১৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ৩৫ পাতার ‘চার্জশিট’ প্রকাশ করেছেন । মঞ্চে তার সঙ্গে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

অনুপ্রবেশকারী প্রসঙ্গে শাহ বলেন, ‘‘এত অনুপ্রবেশকারী ঢুকছে, মমতাজির সরকার কি ঘুমোচ্ছে? প্রশ্ন তুলবেন, বিএসএফ কী করছে? বিএসএফ তখনই কিছু করতে পারবে, যখন আপনি সীমান্তে বেড়া লাগাতে দেবেন। বিজেপি ক্ষমতায় আসার ১৫ দিনের মধ্যে সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন‍্য প্রয়োজনীয় জমি এ রাজ্যের বিজেপি সরকার কেন্দ্রকে দেবে।’’

বিজেপিশাসিত রাজ্যে বাঙালি হেনস্থা প্রসঙ্গে শাহ বলেন, ‘‘বাংলাদেশ থেকে যারা ঢোকেন, তারাও বাংলা বলেন। এ রাজ্যের কাউকে চিন্তা করতে হবে না। কিন্তু আমাদের দৃঢ় সঙ্কল্প, অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে খুঁজে দেশ থেকে বার করব।’’

তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে উৎখাতের ডাক দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘১৫ বছরে কাটমানির সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে। দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল সরকার। আমি বিশ্বাস করি, বাংলার মানুষ পরিবর্তন চাইছে। তাই আমাদের ভোট দেবেন। তৃণমূল সরকারকে সমূলে উৎখাত করুন।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘আজকের বাংলা কবিগুরুর বাংলা আর নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে বাঙালি অস্মিতাকে পাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।’’

শাহ অভিযোগ করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘ভিক্টিম কার্ড’-এর রাজনীতি করেন। ভোট এলেই মমতা পা ভেঙে ফেলেন, অসুস্থ হয়ে পড়েন। কোনও না কোনও অসুস্থতা দেখিয়ে জনগণের সহানুভূতি চান। এ বার তা হবে না।

ARK

৩ মাস আগে

Mamata also anti-Indian women.

বিনয় ভূষণ দাশ

৩ মাস আগে

মমতা ব্যানার্জি একজন মহাদূর্নীতিবাজ নেত্রী। সুপ্রিম কোর্টে প্রমাণিত হয়েছে। রাজ্যের ১৬ হাজার শিক্ষকের কোনোরূপ পরীক্ষা ছাড়াই চাকরি হয়ে গেল! অবশেষে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ওদের চাকুরী খতম। শিক্ষা খাতে পৃথিবীতে এরকম দুর্নীতি আর হয়েছে বলে নজির নেই! উনি ভারতের সংবিধান মানেন না! সংবিধান না মানার জন্য উনার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে! উনি যে বহিরাগতদের রাজ্যে অনুপ্রবেশের সুযোগ দেন সেটার প্রমান হলো এ পর্যন্ত রাজ্যে প্রায় ৭০/৮০ লাখ ভোটারবিহীন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এতে কী প্রমাণিত হয়? ওরাই তো অনুপ্রবেশকারী/ মৃত/ স্থানান্তরিত ভোটার। বর্তমানে ভারতের ১২ টি রাজ্যে SIR চলছে। একমাত্র পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া সব রাজ্যে সুষ্ঠুভাবে SIR হয়েছে। একমাত্র পশ্চিম বঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক কাজে মমতা ব্যানার্জি বাধা সৃষ্টি করছেন! ফলে সুপ্রিম কোর্ট এতে হস্তক্ষেপ করছে! এটা ভীষণ লজ্জার! পশ্চিম বঙ্গে যাতে সুষ্ঠুভাবে SIR না হয় মমতা ব্যানার্জি এমন কোনো কাজ নেই করেনি! উনি দুর্নীতিবাজদের গডফাদার। ইডি কে কাজ করতে দেয় না! আই পেক একটা দুর্নীতিবাজ প্রতিষ্ঠান! ইডি তাকে ধরতে গেলে উনি বাধা হয়ে দাড়ান! দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করা কি উনার কাজ! উনি পুলিশের কাছ থেকে ফাইল / নথি জোর করে গুন্ডামী করে কেড়ে নিয়ে আসেন। এটা কি সংবিধান লংঘন নয়! এককথায় পশ্চিম বঙ্গে দুর্নীতি/ গুন্ডারাজ চলছে! উনার ভাবটা এরকম তোমরা যা খুশি তাই করো, আমাকে ক্ষমতায় রাখো!
মিশিগান
আমেরিকা।

মন্তব্য করুন