রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় ফেরিঘাটে বাস দুর্ঘটনায় নিহত নাসিমা বেগমের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল ভোরে তার লাশ বাড়িতে এসে পৌঁছলে সকাল ৮টার দিকে গ্রামের পারিবারিক করবস্থানে দাফন করা হয়। নিহত নাসিমা দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের মধ্য আটরাই গ্রামের মৃত নুর ইসলামের স্ত্রী। জানা যায়, গত ১৯শে ফেব্রুয়ারি নাসিমা বেগম (৩০) চাকরির উদ্দেশ্যে সাভারে ভাগনি আজমিরা খাতুনের বাড়িতে যান। এক মাসের চেষ্টার পরও চাকরির ব্যবস্থা না হওয়ায় ঈদ করতে ভাগনির শ্বশুরবাড়ি ফরিদপুরে যান। ঈদ শেষে গত ২৫শে মার্চ বিকাল ৫টার দিকে বাসযোগে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাট দিয়ে ঢাকার উদ্দ্যেশ্যে রওনা করেন নাসিমা। সঙ্গে ছিলেন ভাগনি আজমিরা খাতুন, তার স্বামী আ. আজিজ ও তার শিশু সন্তান আ. রহমান। দুর্ঘটনার সময় সবাই বাসে ছিলেন। বাস ডুবে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর ভেসে উঠে বেঁচে যায় আজিজ। রাত সাড়ে ১১টার দিকে নাসিমা, আজমিরা ও তার শিশু সন্তান আ. রহমানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে এম্বুলেন্সযোগে মরদেহ নিয়ে পার্বতীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় এবং শুক্রবার ভোরে লাশ গ্রামে পৌঁছে এবং সকালে দাফন করা হয়। এ ঘটনার খবর পেয়ে ওই বাড়িতে যান পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদ্দাম হোসেন এবং উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক নিহতের পরিবারকে নগদ ২৫ হাজার টাকা প্রদান করেন। এ ছাড়াও কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে বিকাশের মাধ্যমে ২৫ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বুধবার বিকাল ৫টার দিকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় ফেরিঘাটে বাস দুর্ঘটনায় নিহত হন নাসিমা বেগমসহ অনেকে।
দৌলতদিয়ায় বাস দুর্ঘটনায় নিহত নাসিমার দাফন সম্পন্ন
পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
২৮ মার্চ (শনিবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
