স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে সমৃদ্ধ দেশ গড়ার শপথ
স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে সমৃদ্ধ দেশ গড়ার শপথ

ফন্ট সাইজ:

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হয়েছে বীর শহীদদের, যাদের আত্মত্যাগে স্বাধীন হয়েছে দেশ। দিবসের নানা কর্মসূচি থেকে উচ্চারিত হয়েছে সমৃদ্ধ দেশ গড়ার শপথ। মুক্তিযুদ্ধে জীবনদানকারী বীর শহীদদের স্মরণে ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। প্রত্যুষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যগণ, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, বিএনপি’র জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ, কূটনীতিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ স্মৃতিসৌধে ফুল দেন।

ভোর ৬টার দিকে প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন, এ সময় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল তাদের রাষ্ট্রীয় অভিবাদন জানায়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কিছুটা সময় নীরবে দাঁড়িয়ে জাতির বীর সন্তানদের স্মরণ করেন প্রেসিডেন্ট। পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং মোনাজাতে অংশ নেন। পরে দলের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ এবং মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের নিয়ে দলীয় প্রধান হিসেবে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তারেক রহমান।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন এবং সেখানে উপস্থিত বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং বিচারপতিগণ, তিন বাহিনীর প্রধান ও দেশি-বিদেশি কূটনীতিকরা শহীদবেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা জানানোর পরপরই সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয় স্মৃতিসৌধের মূলফটক। এরপরই ঢল নামে সাধারণ মানুষের। শ্রদ্ধা জানানোর পর বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে সমগ্র জাতিকে স্বাধীনতাযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছিলেন এবং দীর্ঘ ৯ মাস সেই যুদ্ধ করে আমরা স্বাধীন হয়েছি। বিএনপি’র প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘আজ একটি ভিন্ন পরিবেশে আমরা এই স্বাধীনতা দিবস উদ্‌?যাপন করতে পারছি। আমরা সম্পূর্ণ মুক্ত, ফ্যাসিস্টমুক্ত পরিবেশে দিনটি উদ্‌?যাপন করতে যাচ্ছি। আমাদের একটাই দুঃখ, এই দিনে আমাদের স্বাধীনতার আরেক সংগ্রামী নেত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের মাঝে নেই। তিনি আরও বলেন, আজ আমরা নতুন একটি বাংলাদেশ গড়ার শপথ নিচ্ছি। আমরা সেই লক্ষ্যে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশকে সত্যিকার অর্থে একটা সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করবো।

সকাল ৬টায় দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান। এসময় তারা স্বাধীনতাযুদ্ধের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং দেশের শান্তি সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় মোনাজাত করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শফিকুর রহমান সবাইকে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আমরা একটা নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে এসেছি। এটি রাষ্ট্রের একটা সর্বোচ্চ আচার। সকলের মতো আমরাও শ্রদ্ধা জানাতে এসেছিলাম আমাদের বীর শহীদদের প্রতি। এরপর পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, বিশ্ববিদ্যালয়, এনজিও প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

দিবসটি উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতেও উত্তোলন করা হয় জাতীয় পতাকা। একইসঙ্গে ঢাকা সিটি করপোরেশন ভবন ও বহুতল ভবনেও পতাকা উড়ানো হয়। সকালে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ। সশস্ত্র বাহিনীসহ বিভিন্ন বাহিনীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত কুচকাওয়াজে সালাম গ্রহণ করেন প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন। বিকালে বঙ্গভবনে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার ও খেতাবপ্রাপ্ত জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে সংবর্ধনার আয়োজন করে প্রেসিডেন্ট। এছাড়া জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

সকাল ৯টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয় বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড-এর জাহাজ। এসব জাহাজ চট্টগ্রাম, খুলনা, মোংলা, পায়রাবন্দর, ঢাকার সদরঘাট, নারায়ণগঞ্জের পাগলা এবং বরিশালে বিআইডব্লিউটিসির ঘাটে অবস্থান করে। এছাড়া চাঁদপুর ও মুন্সীগঞ্জে কোস্ট গার্ডের জাহাজও উন্মুক্ত রাখা হয়। দিবসটি উপলক্ষে বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, পুনর্বাসন কেন্দ্র ও বিভিন্ন কল্যাণ প্রতিষ্ঠানে বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়েছে। ওদিকে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আজ শুক্রবার আলোচনা সভার আয়োজন করেছে বিএনপি।

বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ:
দীর্ঘ দেড় যুগ পর স্বাধীনতা দিবসে অনুষ্ঠিত হলো সশস্ত্রবাহিনীর বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ। বৃহস্পতিবার সকালে তেজগাঁওয়ের জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত কুচকাওয়াজে অভিবাদন মঞ্চ থেকে সালাম গ্রহণ করেন প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন। বর্ণাঢ্য এই কুচকাওয়াজ ও আয়োজন পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কুচকাওয়াজে মন্ত্রিসভার সদস্য, তিন বাহিনী প্রধান, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশিষ্ট নাগরিকরা আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশ নেন। এ ছাড়া দর্শক সারিতে বসে কুচকাওয়াজ উপভোগ করেন সাধারণ মানুষ।

সকাল ৯টায় জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে কুচকাওয়াজের কার্যক্রম শুরু হয়। সকাল ১০টার কিছু আগে প্যারেড গ্রাউন্ডে এসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাকে স্বাগত জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, তিন বাহিনীর প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এর কিছুক্ষণ পর প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী তাকে স্বাগত জানান।

জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর সশস্ত্রবাহিনীর সর্বাধিনায়ক মো. সাহাবুদ্দিনকে প্রথমে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এরপর খোলা জিপে প্যারেড পরিদর্শন করেন তিনি। এরপর শুরু হয় বিভিন্ন বাহিনী ও বিভাগের মনোজ্ঞ মার্চপাস্ট। এতে প্রথমে থাকে বিভিন্ন পতাকাবাহী তিনটি দল বা কন্টিনজেন্ট। এরপর পর্যায়ক্রমে প্রেসিডেন্টকে সালাম জানায় সেনাবাহিনীর বিশেষায়িত ইউনিট প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট, সাঁজোয়া রেজিমেন্ট কন্টিনজেন্ট, ইস্ট বেঙ্গল কন্টিনজেন্ট, বাংলাদেশ ইনফ্যান্টারি রেজিমেন্ট, আর্টিলারি কন্টিনজেন্ট, এয়ার ডিফেন্স কন্টিনজেন্ট, ইঞ্জিনিয়ার্স কন্টিনজেন্ট, সিগন্যালস কন্টিনজেন্ট, সার্ভিসেস কন্টিনজেন্ট।

এরপর জাতীয় পতাকাবাহী কন্টিনজেন্টের সদস্যরা প্রেসিডেন্টকে সালাম জানান। পর্যায়ক্রমে আসে প্যারাকমান্ডো কন্টিনজেন্ট, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড, পুলিশ, আনসার ও ভিডিপি, ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর, কারা পুলিশ, সম্মিলিত নারী কন্টিনজেন্ট ও মডারানাইজড ইনফ্যান্টারি কন্টিনজেন্ট। সেনা ও বিজিপি’র ডগ স্কোয়াড ও অশ্বারোহী কন্টিনজেন্টের পর খোলা গাড়িতে বহনকারী মুক্তিযোদ্ধাদের কন্টিনজেন্ট মার্চপাস্টে অংশ নেয়।

এরপরই ১০ হাজার ফুট উপর থেকে মূল মঞ্চের দু’দিকে ২৬ জন প্যারাট্রুপার প্যারেড গ্রাউন্ডে নামেন, যারা জাতীয় পতাকাসহ বিভিন্ন বাহিনীর পতাকা বহন করেন। পরে প্যারাকমান্ডো টিমের প্যারাট্রুপার দল প্রেসিডেন্টকে সালাম প্রদর্শন করে।

পর্যায়ক্রমে আর্মি এভিয়েশনের বিমান ও হেলিকপ্টার, বিজিবি এয়ার উইংয়ের হেলিকপ্টার, র‌্যাব এয়ার উইংয়ের হেলিকপ্টার, নেভাল এভিয়েশনের বিমান ও হেলিকপ্টার ডিসপ্লেতে অংশ নেয়। এরপর প্যারেড গ্রাউন্ডে একে একে এগিয়ে আসে বিভিন্ন বাহিনীর যান্ত্রিক বহরগুলো; যেখানে ট্যাংক, কামানের মতো ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও প্রযুক্তিসহ নানা সরঞ্জাম প্রদর্শিত হয়। এরপর প্যারেড গ্রাউন্ডে একে একে এগিয়ে আসে বিভিন্ন বাহিনীর যান্ত্রিক বহরগুলো; যেখানে ট্যাংক, কামানের মতো ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও প্রযুক্তিসহ নানা সরঞ্জাম প্রদর্শিত হয়। এরপরে শুরু হয় কুচকাওয়াজের এবারের অন্যতম আকর্ষণ বিমান বাহিনীর ‘অ্যারোবেটিক শো’র মহড়া। ‘বাংলার আকাশ রাখিবো মুক্ত’ এই প্রতিপাদ্যে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমানসহ প্রশিক্ষণ বিমান ও হেলিকপ্টারগুলো বিভিন্ন ফরমেশনে উড্ডয়ন কৌশল প্রদর্শন করে।

পাঁচটি এফ-সেভেন যুদ্ধবিমান বর্ণিল রং ছাড়তে ছাড়তে প্যারেড গ্রাউন্ড প্রদক্ষিণ করে। ‘লো লেভেল’ ফ্লাইং বিমান প্রদর্শনীর পর যোগ দেয় মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান। এই আধুনিক যুদ্ধবিমানটি প্রেসিডেন্টকে ‘ফ্লাইং স্যালুট’ প্রদর্শন করে। এরপর কয়েক দফা টার্ন পারফরম্যান্স, লো লেভেল ফ্লাইংও প্রদর্শিত হয়। শেষে মূল মঞ্চের পেছন দিক থেকে এসে ‘ভিক্টোরি রোল’ প্রদর্শন করে উপরের দিকে মেঘের আড়ালে চলে যায় মিগ-২৯, যেটিকে ‘চূড়ান্ত প্রদর্শনী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

কুচকাওয়াজের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয় ১১টা ৫৯ মিনিটে। এরপর প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন প্রদর্শনীতে নেতৃত্ব দেয়া বিভিন্ন বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এরপরই প্রেসিডেন্টকে বিদায় জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিন বাহিনীর প্রধানগণ সঙ্গে ছিলেন। পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও কুচকাওয়াজে অংশ নেয়া কর্মকর্তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রীর পাশে বসে কুচকাওয়াজ উপভোগ করেন তার কন্যা জাইমা রহমান। উল্লেখ্য যে, ২০০৮ সালের পর এবার ২৬শে মার্চে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হলো।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন