স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে এসে জাতীয় পার্টি-ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের মারামারি

স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে এসে জাতীয় পার্টি-ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের মারামারি

ফন্ট সাইজ:

মহান স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে এসে জাতীয় পার্টি ও জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১১ টার দিকে স্মৃতিসৌধের শহীদ বেদির অদূরে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, রাজাকার বলে স্লোগান দেয়াকে কেন্দ্র করে জাতীয় পার্টি এবং জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনায় একজন রক্তাক্তসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

ঢাকা জেলা জাতীয় পার্টির কন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাদুর ইসলাম ইমতিয়াজ বলেন, আমরা শৃঙ্খলার সাথে সারিবদ্ধভাবে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ দেখি কয়েকজন ছেলে মিলে স্বৈরাচার এবং রাজাকার বলে স্লোগান দিচ্ছে। তারা ফুল দিয়ে বের হয়ে যে রাস্তায় যাবে সেদিকে না গিয়ে আমাদের দিকে এগিয়ে আসে। আমাদের হাতে থাকা ব্যানার, ফেস্টুন টেনে ছিড়ে ফেলে। এ সময় আমাদের নেতাকর্মীরা প্রতিবাদ করলে সাভার উপজেলা ছাত্র সমাজের সভাপতি শরীফুল ইসলাম রাসেলকে এলোপাতাড়ি মারধর ও রক্তাক্ত করে। আমি তাদেরকে চিনি না। তবে তারা এনসিপির নেতাকর্মী বলে জানতে পেরেছি। এ ঘটনায় আমরা ঊর্ধ্বতন নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
সাভার উপজেলা জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক মেহেদী হাসান অভিযোগ করেন, আমরা স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে ফেরার পথে জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নাঈম আবেদীনের উপর হামলা করে জাতীয় পার্টির নেতা কর্মীরা। এসময় আমাদের সাভার উপজেলার নেতাকর্মীরা এগিয়ে গিয়ে প্রতিবাদ করলে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এ ঘটনায় আমরা ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা নেব।
আশুলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আজগর হোসেন বলেন, মারামারির ঘটনা শুনেছি। তবে ঘটনাস্থলে কাউকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে আমাদের কাছে কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Arif khan

৩ মাস আগে

দিলদার আর হারুন কিসিঞ্জারের মারামারির মতো কান্ড! দুই জোকার!

pinaki

৩ মাস আগে

এ ঘটনায় আমরা ঊর্ধ্বতন নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত

মন্তব্য করুন