ঢাকায় আসার আগে হার নিউজিল্যান্ডের

ঢাকায় আসার আগে হার নিউজিল্যান্ডের

ফন্ট সাইজ:

সিরিজের শুরুতে পিছিয়ে পড়েও প্রত্যাবর্তনের দুর্দান্ত গল্প লিখলো দক্ষিণ আফ্রিকা। গতকাল কনর এস্টারহুইজেনের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে নিউজিল্যান্ডকে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে ৩৩ রানে হারায় প্রোটিয়ারা। এই জয়ের ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ৩-২ ব্যবধানে ট্রফি নিজেদের করে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। অথচ ঘরের মাঠে প্রথম তিন ম্যাচে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে সিরিজ জয়ের স্বপ্ন দেখছিল কিউইরা। চলতি মাসের শুরুতে ভারতের কাছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে হারা নিউজিল্যান্ডের পরবর্তী গন্তব্য এখন বাংলাদেশ। আগামী এপ্রিলে সীমিত ওভারের সিরিজ খেলতে ঢাকায় আসবে কিউইরা। ক্রাইস্টচার্চে আগে ব্যাট করতে নেমে এস্টারহুইজেনের ক্যারিয়ার সেরা ৭৫ রানের ইনিংসে ভর করে ১৮৭ রান তুলে দক্ষিণ আফ্রিকা। মাত্র ৩৩ বলে এ টর্নেডো ইনিংস খেলেন তিনি। ৪ ছক্কা ও ৩ চারে সাজানো এই ইনিংসে মাত্র ২৪ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন ২৪ বছর বয়সী এই ব্যাটার। ১৮৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। ওপেনার কাটেনে ক্লার্ক দ্রুত বিদায় নেওয়ার পর ডেন ক্লিভার (২২), টিম রবিনসন (২৫) ও নিক কেলি (১৪) বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। ১১ ওভারের মধ্যে ৬৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় স্বাগতিকরা। শেষ দিকে বেভন জ্যাকবসের ১৯ বলে ৩৬ রানের ক্যামিও এবং ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জেমস নিশামের লড়াই কেবল পরাজয়ের ব্যবধানই কমিয়েছে। নিউজিল্যান্ডের ইনিংস থামে ১৫৪ রানে। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে জেরাল্ড কোয়েটজি, উইয়ান মুল্ডার ও ওটনিয়েল বার্টম্যান ২টি করে উইকেট শিকার করেন। ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে নিয়ে আবেগাপ্লুত এস্টারহুইজেন বলেন, ‘দেশের হয়ে খেলা আমার কাছে সবকিছু। এটা আমার জন্য এক বিশেষ এবং গর্বের মুহূর্ত।’ নিউজিল্যান্ডের নিয়মিত অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনারকে বিশ্রাম দেয়া এবং ব্যাক-আপ অধিনায়ক টম লাথামের ইনজুরিতে কিউইদের নেতৃত্ব দেন নিশাম। সিরিজ হার নিয়ে তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত সিরিজের শেষ দিকে আমরা আশানুরূপ খেলতে পারিনি। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলিং আক্রমণ অত্যন্ত শক্তিশালী এবং আমাদের ব্যাটাররা ভালো ক্রিকেট উপহার দেয়নি।’

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন