দৈনিক মানবজমিনের গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি সোলায়মান আলী (৬৫) আর নেই। শুক্রবার (২০ মার্চ) রাত ১১টার দিকে নিজ বাসভবনে স্ট্রোক করলে তাকে দ্রুত সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ইন্নানিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
শনিবার (২১ মার্চ) পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত শেষে বোনারপাড়া সরকারি কবরস্থান মাঠে মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে ওই কবরস্থানেই তাকে দাফন করা হয়েছে।
তার জানাজায় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে জানাজায় শরিক হন সাঘাটা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ মোহাম্মদ আলী, বোনারপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জসিউল করিম পলাশ এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ আব্দুল্লাহ মাস্টার, ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান।
সহকর্মীর বিদায়ে শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক মানবজমিনের ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি প্রতীক ওমর, বাংলাটিভির গাইবান্ধা প্রতিনিধি জাহিদ খন্দকার, আমার দেশ পত্রিকার সাঘাটা উপজেলা প্রতিনিধি মিজান রাঙ্গা, সাংবাদিক আবু সাঈদ, সাংবাদিক আবু তাহের, আনিছুর রহমান টিপু, আনোয়ার হোসেন রানা এবং সোহাগ খন্দকার।
এ ছাড়াও জানাজায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম বাদল, মানবাধিকার কর্মী কামরুল হাসান পায়েল, সাংবাদিক জাকির হোসেন লিটনসহ এলাকার সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন।
মৃত্যুকালে সাংবাদিক সোলায়মান আলী এক ছেলে, তিন মেয়ে, নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে সাঘাটা প্রেসক্লাবসহ স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে।
মানবজমিনের সাঘাটা প্রতিনিধি সোলায়মান আলীর ইন্তেকাল: বোনারপাড়ায় দাফন সম্পন্ন
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি
অনলাইন
২ মাস আগে
২১ মার্চ (শনিবার), ২০২৬, ১২ঃ৩১ (অপরাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%

,A R Sarker
২ মাস আগেসোলাইমান আলী আমার খুব পরিচিত এবং কাছের লোক ছিল। আমার বাড়ি বোনার পাড়া থাকি ঢাকায়। আমি তাকে নাম ধরে ডাকতাম।তার মৃত্যুর খবর পত্রিকা মারফত জানলাম। তার জানাজায় উপস্থিত থাকতে না পেরে খুবই মর্মাহত। আল্লাহ তাকে বেহেশত নসিব করুন।