অধিনায়ক নেই, নেই মূল বোলাররাও তবুও আইরিশদের হারালো অস্ট্রেলিয়া

অধিনায়ক নেই, নেই মূল বোলাররাও তবুও আইরিশদের হারালো অস্ট্রেলিয়া

ফন্ট সাইজ:

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে অস্ট্রেলিয়ার অবস্থা ছিল রীতিমতো ‘নড়বড়ে’। অনুশীলনে চোট পেয়ে ম্যাচের আগে দল থেকে ছিটকে যান নিয়মিত অধিনায়ক মিচেল মার্শ। আগে থেকেই দলে নেই প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজেলউডের মতো তারকা পেসাররা। এমনকি স্কোয়াডে ফিট খেলোয়াড় ছিলেন মাত্র ১২ জন! কিন্তু মাঠের ক্রিকেটে সেই নড়বড়ে অস্ট্রেলিয়াই রুদ্রমূর্তি ধারণ করলো। কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে আয়ারল্যান্ডকে ৬৭ রানে হারালো অজিরা।


টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। অধিনায়ক ট্রাভিস হেড মাত্র ৭ রানে রানআউট হয়ে ফেরেন। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলও (৯) ব্যর্থ। ৮৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে যখন ধুঁকছিল দল, তখন হাল ধরেন মার্কাস স্টয়নিস ও ম্যাট রেনশ। স্টয়নিসের ২৯ বলে ৪৫ এবং রেনশর ৩৭ রানের ওপর ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করায় অস্ট্রেলিয়া।


১৮৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আইরিশ অধিনায়ক পল স্টার্লিং প্রথম বলেই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লে বড় ধাক্কা খায় আয়ারল্যান্ড। এরপর শুরু হয় নাথান এলিসের তান্ডব। পাওয়ার প্লেতেই আয়ারল্যান্ডের টপ অর্ডার ধসিয়ে দেন তিনি। এলিস মাত্র ১২ রানে নেন ৪ উইকেট। মাঝপথে অ্যাডাম জাম্পা নিজের ঘূর্ণি জাদুতে আইরিশদের জয়ের স্বপ্ন পুরোপুরি শেষ করে দেন। জাম্পাও ২৩ রান দিয়ে শিকার করেন ৪ উইকেট। আয়ারল্যান্ড শেষ পর্যন্ত ১১৫ রানেই গুটিয়ে যায়।

অস্ট্রেলিয়ার জন্য এ জয়টি বিশেষ কিছু। দলটি চোট সমস্যায় জর্জরিত। মিচেল মার্শের চোট তাকে অনির্দিষ্টকালের জন্য মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছে। তার জায়গায় জরুরি ভিত্তিতে উড়িয়ে আনা হয়েছে স্টিভ স্মিথকে। পেসার কামিন্স ও হ্যাজেলউড নেই আগে থেকেই। তবুও ড্যানিয়েল চার্নির ভাষায়, ‘কাগজে-কলমে অজিরা দুর্বল মনে হলেও মাঠের বিশ্বশাসন তারা ঠিকই ধরে রেখেছে।’

নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে জিতলে সুপার এইট প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাবে অজিদের।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন