অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশের সদস্যপদ অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত হওয়ার ঘটনায় নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। শুক্রবার রাতে ফেসবুক লাইভে এসে প্রায় ২৫ মিনিট ধরে এ বিষয়ে কথা বলেন তিনি। একই ঘটনায় অভিনেত্রী সামিয়া অথৈ’র সদস্যপদও স্থগিত করেছে সংগঠনটি। তিশা বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা প্রচারণার কারণে শিল্পীদের সম্মানহানি ঘটে। কর্মক্ষেত্রে মতবিরোধ কিংবা ভুল বোঝাবুঝি থাকতেই পারে। তবে এসব বিষয় প্রকাশ্যে এনে কারও পেশাগত জীবন বা ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করা উচিত নয়। কাজের জায়গার সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি। গত এক বছরে তাকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিভিন্ন বিতর্ক প্রসঙ্গেও কথা বলেন অভিনেত্রী। শাড়িকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে তিশা বলেন, সময় হলে সবকিছুই সবার সামনে পরিষ্কার হবে। তিনি সেই সময়ের অপেক্ষায় রয়েছেন। শুটিং সেটে মারধরের অভিযোগ ও পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের প্রসঙ্গে তিশা বলেন, ‘পুতুলের বিয়ে’ নাটকের শুটিংয়ে তাদের মধ্যে একটি সমস্যা তৈরি হয়েছিল।
সেখানে উপস্থিত কলাকুশলীরা পুরো ঘটনা সম্পর্কে অবগত। নাটকের দৃশ্য দেখলে দর্শকরাও বিষয়টি বুঝতে পারবেন বলে দাবি করেন তিনি। অভিনেত্রীর দাবি- বিরোধ নিষ্পত্তিতে অভিনয়শিল্পী সংঘের সালিশ বৈঠকে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা আলোচনা হয়। সেখানে দু’জনকে ক্ষমা চেয়ে বিবৃতি এবং ভিডিও বার্তা দেয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছিল। তবে সামিয়া অথৈ ভিডিও বার্তা দেননি, তিনিও তা দিতে পারেননি বলে স্বীকার করেন তিশা। যার ফলে সদস্যপদ স্থগিত হয় দু’জনের। তিশা বলেন, এ নিয়ে আমি সংঘের সঙ্গে আলাপ করবো। তবে এ নিয়ে যেন মিথ্যা ছড়ানো না হয়, সেদিকে সংবাদকর্মীদের লক্ষ্য রাখার কথা জানান তিনি। এদিকে, সংঘের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মামুন অপু জানিয়েছেন, সালিশ কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন না করায় দুই অভিনেত্রীর সদস্যপদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
