বাগেরহাটের শরণখোলায় ২৪ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও সন্ধান মেলেনি সুন্দরবনের দুবলার চরের আলোরকোল সমুদ্রসৈকতে নিখোঁজ পর্যটক রিয়াজ আহমেদের। গত শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে আলোরকোল শুঁটকি পল্লীর সমুদ্রসৈকতে গোসলে নেমে স্রোতের টানে তলিয়ে যান ওই পর্যটক। তবে ব্যাগে থাকা জাতীয় পরিচয়পত্রের সূত্র ধরে তার নাম পরিচয় শনাক্ত করতে পেরেছে বনবিভাগ। নিখোঁজ পর্যটক রিয়াজ আহমেদ (২৫)। ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভার কাঁঠালী গ্রামের আবুল বাশার ঢালীর ছেলে। ঘটনার পর থেকেই কোস্ট গার্ড, বনবিভাগ ও সঙ্গী পর্যটক সদস্যরা তল্লাশি অভিযান শুরু করলেও এখন পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। শনিবার দুপুর ২টার দিকে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলার চর জেলে পল্লী বিশেষ টহল ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরেস্ট রেঞ্জার মো. খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, নিখোঁজ পর্যটকের সন্ধানে সাগরতীর ও সুন্দরবনের বিভিন্ন চরে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ফরেস্ট রেঞ্জার খলিলুর রহমান আরও জানান, ধারণা করা হচ্ছে মরদেহটি ভেসে না ওঠা পর্যন্ত পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। নিখোঁজ পর্যটকের স্বজনদের খবর দেয়া হয়েছে।
বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকাল ৩টার দিকে ‘ইকো ট্যুরিজম’ নামের একটি কাঠবডির পর্যটকবাহী লঞ্চ ১০ জন পর্যটক নিয়ে সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট ও নীলকমল ঘুরে আলোরকোলে পৌঁছায়। পরে লঞ্চ থেকে একটি ট্রলারে করে আলোরকোল চরে নামেন পর্যটকরা। এদের মধ্যে তিনজন পর্যটক সমুদ্রসৈকতে নেমে গোসল করার সময় ঢেউ ও স্রোতের টানে রিয়াজ সাগরে তলিয়ে যান। ঘটনাটি দেখতে পেয়ে আলোরকোল শুঁটকি পল্লীর জেলেরা তাৎক্ষণিক কোস্ট গার্ড ও বনবিভাগকে জানান। এর পর পরই তল্লাশি অভিযান শুরু হয়।
