আগে ক্যারিবীয়দের রান ছুঁতে চায় শান্তরা

আগে ক্যারিবীয়দের রান ছুঁতে চায় শান্তরা

ফন্ট সাইজ:

সিলেটের উইকেট ব্যাটিংবান্ধব ক্যারিবীয় টপঅর্ডার ব্যাটার আমির জাঙ্গু সংবাদ সম্মেলনে সেটি স্পষ্ট করেই জানিয়েছেন। চেনা কন্ডিশনে এই সুবিধা কাজে লাগাতে পারলে উইকেটে থিতু হওয়া তাওহীদ হৃদয় ও মুশফিকুর রহীমদের বড় ইনিংস খেলা খুব একটা কঠিন হওয়ার কথা না। দ্বিতীয় দিনটা নিজের করে নেয়া টাইগার পেসার হাসান মাহমুদেরও একই ভাবনা। লিড নেয়ার ব্যাপারে জোর দিয়ে কিছু না বললেও অন্তত ক্যারিবীয়দের সংগ্রহের কাছাকাছি যাওয়ার লক্ষ্য বাংলাদেশের। হাসান বলেন, ‘আমার মনে হয় যে জুটিটা হচ্ছে, মুশফিক ভাই ও হৃদয় যদি কন্টিনিউ করে যেতে পারে ওদের রান পর্যন্ত যেতে পারবো। আশা করি, লিড না হলেও অন্তত ওদের রান পর্যন্ত পৌঁছাতে পারবো।’
সিলেটে প্রথম দিনে চার ও দ্বিতীয় দিনে পড়েছে সাত উইকেট। নতুন বলে হাসান মাহমুদ ছাড়া আর কেউ সুবিধা করতে পারেননি। স্পিনাররাও উইকেট থেকে বাড়তি কোনো সুবিধা পাননি। তৃতীয় দিনেও উইকেটের আচরণ এমন হবে বলে আশা হাসানের। তিনি বলেন, ‘উইকেট এখন পর্যন্ত ভালো। পেসাররাও তেমন সুবিধা পায়নি। নতুন বলে কিছুটা সুবিধা পাওয়া গেছে। ব্যাটাররা যদি দায়িত্ব নিয়ে খেলতে পারে, তবে লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো।’

এর আগে দিনের শুরুতে বল হাতে দেশের মাটিতে প্রথমবার ফাইফারের দেখা পান হাসান। তাই এই অর্জনটা তার কাছে ‘বিশেষ’। নিজের অনুভূতি জানিয়ে হাসান বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, দেশের মাটিতে ৫ উইকেট সবসময়ই আমার জন্য বিশেষ কিছু। আর নিজেদের মাঠে এমন একটি ভালো সুযোগ পাওয়া এটাও আমার জন্য আনন্দের। অবশ্যই চেষ্টা করে যাবো, সামনে যতবার টেস্ট ক্রিকেট খেলবো, ততবার যেন এমন অর্জন করতে পারি। পাঁচ উইকেটের ইনিংস সবসময়ই বিশেষ কিছু। তাই এ ধরনের পারফরম্যান্সের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাবো।’ সাদা পোশাকে বিশ্ব ক্রিকেটের বাঘা বাঘা সব ব্যাটারের উইকেট নিয়েছেন হাসান। ভারতের বিপক্ষে চেন্নাই টেস্টে একই ইনিংসে ফেরান রোহিত শর্মা, শুভমান গিল, বিরাট কোহলি ও ঋষভ পান্তকে। অস্ট্রেলিয়ার ডারউইন টেস্টে তার শিকার ট্রাভিস হেড, স্টিভ স্মিথের মতো ব্যাটাররা। তবে স্মরণীয় উইকেটের প্রসঙ্গ উঠতেই কোহলির নাম বলেছেন হাসান।

কোন উইকেটটি সবচেয়ে বেশি মনে থাকবে-এমন প্রশ্নে তার সংক্ষিপ্ত উত্তর, ‘অবশ্যই বিরাট কোহলির উইকেট।’ সিলেটের কন্ডিশনে পেসারদের জন্য শুরুর এক-দুই ঘণ্টা সহায়ক ছিল বলে মনে করেন হাসান। তখন সিম মুভমেন্ট ও সুইং পাওয়া যাচ্ছিল, তবে দুই ঘণ্টা পর উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য বেশ ভালো হয়ে যায়। তিনি বলেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটে একজন ফাস্ট বোলারের কাছে প্রতিটি উইকেটেরই বিশেষ। তবে আমি সব সময় চেষ্টা করি নিজের সেরাটা দিতে এবং দলের জন্য অবদান রাখতে।’ বোলিং পরিকল্পনাহাসান বলেন, ‘আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেছি, আমাদের পরিকল্পনা কী হবে এবং কীভাবে এগোতে হবে। আমরা পেস বোলাররা নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী বোলিং করার চেষ্টা করেছি। প্রত্যেকেই নিজের সামর্থ্যের সর্বোচ্চ দিয়ে দলের জন্য অবদান রাখার চেষ্টা করেছে।’