ময়মনসিংহের তারাকান্দায় পাঁচ বছরের শিশু হাসান হত্যা মামলায় আদালতের নির্দেশে তিন মাস পর কবর থেকে তার লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। পর লাশ গুম করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্তের স্বার্থে আদালতের নির্দেশে তিন মাস পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় হত্যার পর লাশ গুম করার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় তদন্তের স্বার্থে উপজেলার কাটুরী গ্রাম থেকে শিশুটির লাশ উত্তোলন করা হয়।
এ সময় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট তানভীর হোসেনের তত্ত্বাবধানে উপস্থিত ছিলেন— ফুলপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) তাহমিনা আক্তার, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তারাকান্দা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাবুল হোসেনসহ থানা-পুলিশের সদস্যরা। মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, গত ২৬শে আগস্ট নিহত শিশুর বাবা মো. আব্দুল আলিম (৬০) ময়মনসিংহের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৬ নম্বর আমলি আদালতে চারজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলাটি আমলে নিয়ে আদালত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তারাকান্দা থানাকে নির্দেশ দেন। পরে গত ২৮শে অক্টোবর একই আদালত তদন্তের স্বার্থে কবর থেকে শিশুটির লাশ উত্তোলনের আদেশ দেন। মামলার আসামিরা হলেন— তারাকান্দা উপজেলার কাটুরী গ্রামের মো. মালেক (৬০), তার স্ত্রী সাহেরা খাতুন (৫৫), ছেলে সেলিম মিয়া (৪০) ও পুত্রবধূ তানিয়া (৩০)। পুলিশ জানায়, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী লাশ উত্তোলন করে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।
