কানাডায় আশ্রয়প্রার্থীদের আবেদন প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে ফেডারেল সরকার। ২০২৬ সালের ৩ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে নতুন অভিবাসন ও শরণার্থী সুরক্ষা-সংক্রান্ত বিধিমালা। দেশটির অভিবাসন, শরণার্থী ও নাগরিকত্ববিষয়ক মন্ত্রী লেনা মেটলেজ ডায়াবের (Lena Metlege Diab) ঘোষিত এই সংস্কারের মূল লক্ষ্য হলো আশ্রয় আবেদন প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত, স্বচ্ছ, সুশৃঙ্খল ও কার্যকর করা।
তবে নতুন নিয়মের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, আবেদন জমা দেওয়ার পদ্ধতির পাশাপাশি আবেদনকারীর যোগ্যতা, সময়সীমা, নিরাপত্তা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার ক্ষেত্রেও নতুন বাধ্যবাধকতা যুক্ত হয়েছে।
বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশ থেকে কানাডায় আসা ভিজিটর, শিক্ষার্থী, অস্থায়ী কর্মী এবং আশ্রয়প্রার্থীদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
১. নতুন নিয়মে আশ্রয়ের আবেদন কীভাবে করতে হবে?
আগে কানাডার ভেতর থেকে আশ্রয়ের আবেদন করার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধাপ ও ফরমের ব্যবহার ছিল। নতুন ব্যবস্থায় আবেদন প্রক্রিয়াকে একটি সমন্বিত অনলাইন ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী:
- প্রথমে IRCC Portal-এ প্রবেশ করে আশ্রয় চাওয়ার ইচ্ছা ও প্রয়োজনীয় প্রাথমিক তথ্য জানাতে হবে।
- এরপর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাতের জন্য আমন্ত্রণ দেওয়া হবে।
- সাক্ষাৎকারের সময় আনুষ্ঠানিকভাবে আশ্রয়ের আবেদন করতে হবে।
- কর্তৃপক্ষ আবেদনটি শরণার্থী সুরক্ষা বোর্ডে পাঠানোর যোগ্য কি না, তা যাচাই করবে।
- আবেদনটি পাঠানোর যোগ্য বিবেচিত হলে পূর্ণাঙ্গ আবেদনপত্র ও প্রয়োজনীয় সহায়ক নথি জমা দেওয়ার জন্য ৬০ দিন সময় দেওয়া হবে।
- যুক্তিসংগত প্রয়োজনে একবার অতিরিক্ত ৩০ দিন সময় চাওয়া যাবে।
অর্থাৎ, শুধু অনলাইনে তথ্য জমা দিলেই আনুষ্ঠানিক আশ্রয়ের আবেদন সম্পন্ন হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যাবে না। কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাতের ধাপটিও গুরুত্বপূর্ণ।
২. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন: এক বছরের সময়সীমা
বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য নতুন নিয়মের সবচেয়ে সংবেদনশীল বিষয়গুলোর একটি হলো কানাডায় প্রথম প্রবেশের এক বছরের সময়সীমা।
নতুন আইনি বিধান অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্তে কেউ কানাডায় প্রথম প্রবেশের এক বছরের বেশি সময় পর আশ্রয়ের আবেদন করলে তাঁর আবেদন Immigration and Refugee Board (IRB)-তে পাঠানোর অযোগ্য হতে পারে।
এই নিয়ম ২৪ জুন ২০২০-এর পর কানাডায় প্রথম প্রবেশ করা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত যোগ্যতার বিধান ২ জুন ২০২৫-এর পর শুরু হওয়া দাবিগুলোকে প্রভাবিত করে।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম রয়েছে। কেউ কানাডায় প্রথম প্রবেশের এক বছরের মধ্যে অনলাইন পোর্টালে আশ্রয় চাওয়ার ইচ্ছা জানিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি জমা দিলে, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে পরবর্তী আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ এক বছর পার হওয়ার পর হলেও এই বিশেষ অযোগ্যতার নিয়ম থেকে অব্যাহতি পেতে পারেন।
এ ছাড়া অভিভাবকহীন অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্যও ব্যতিক্রম রয়েছে।
তাই এক বছরের হিসাব শুধু আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎকারের তারিখ দিয়ে বিচার করা যাবে না। অনলাইন নিবন্ধনের সময়, জমা দেওয়া তথ্য এবং সংশ্লিষ্ট আইনি শর্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৩. যুক্তরাষ্ট্র সীমান্ত দিয়ে প্রবেশের ক্ষেত্রে ১৪ দিনের নিয়ম
নতুন বিধানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র সীমান্ত।
কেউ যদি নির্ধারিত সীমান্ত প্রবেশপথের বাইরে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কানাডায় প্রবেশ করেন, তাহলে ১৪ দিনের বেশি সময় পর আশ্রয়ের আবেদন করলে নির্দিষ্ট শর্তে তাঁর আবেদন IRB-তে পাঠানোর অযোগ্য হতে পারে।
এখানে Safe Third Country Agreement (STCA) এবং এর অতিরিক্ত প্রোটোকলের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ।
তবে এই ১৪ দিনের বিধান কানাডায় বিমানবন্দর দিয়ে বৈধভাবে প্রবেশ করা প্রত্যেক বাংলাদেশি ভিজিটরের জন্য প্রযোজ্য নয়। এটি নির্দিষ্টভাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে অনিয়মিতভাবে সীমান্ত অতিক্রম করার সঙ্গে সম্পর্কিত।
৪. বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য নতুন নিয়মের প্রভাব
বাংলাদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রে বিষয়টি কয়েকটি দিক থেকে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।
প্রথম পরিস্থিতি: ভিজিটর ভিসায় কানাডায় আগমন
বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে কেউ ভিজিটর ভিসায় কানাডায় আসতে পারেন। কিন্তু ভিজিটর ভিসা থাকলেই ভবিষ্যতে আশ্রয়ের আবেদন করার অধিকার নিশ্চিত হয় না। আবার বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী বলেই কেউ আশ্রয়ের অযোগ্য, এমনও নয়।
তাঁর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি, দেশে ফিরে গেলে কী ধরনের ঝুঁকি রয়েছে এবং কানাডার আইনি সংজ্ঞা অনুযায়ী তিনি সুরক্ষার যোগ্য কি না, তা বিবেচনা করা হবে।
দ্বিতীয় পরিস্থিতি: কানাডায় এক বছরের বেশি সময় ধরে অবস্থান
কোনো বাংলাদেশি নাগরিক ভিজিটর হিসেবে এসে এক বছরের বেশি সময় ধরে কানাডায় অবস্থান করার পর আশ্রয়ের আবেদন করতে চাইলে নতুন এক বছরের বিধান তাঁর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
তাঁর প্রথম প্রবেশের তারিখ এবং এক বছরের মধ্যে অনলাইনে আশ্রয়ের ইচ্ছা ও প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেওয়ার কোনো রেকর্ড আছে কি না, তা পরীক্ষা করা প্রয়োজন।
তৃতীয় পরিস্থিতি: রাজনৈতিক বা ধর্মীয় কারণে নিরাপত্তাঝুঁকি
বাংলাদেশে রাজনৈতিক মতাদর্শ, ধর্মীয় পরিচয়, নির্দিষ্ট সামাজিক গোষ্ঠীর সদস্যপদ কিংবা অন্য কোনো Convention-স্বীকৃত কারণে কেউ নির্যাতন বা গুরুতর ঝুঁকির মুখোমুখি হলে তাঁর ব্যক্তিগত ঘটনা ও প্রমাণ মূল্যায়ন করা হবে।
শুধু রাজনৈতিক দলের সদস্য হওয়া, কোনো রাজনৈতিক বিরোধ থাকা কিংবা সাধারণ সামাজিক বিরোধের কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শরণার্থী সুরক্ষা পাওয়া যায় না।
প্রতিটি ঘটনার ক্ষেত্রে নির্যাতনের প্রকৃতি, ঝুঁকির বাস্তবতা, রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা পাওয়ার সুযোগ এবং নিজ দেশের অন্য এলাকায় নিরাপদে বসবাসের সম্ভাবনাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করা হয়।
চতুর্থ পরিস্থিতি: পাসপোর্ট, ভ্রমণ ইতিহাস ও পরিচয় যাচাই
নতুন ব্যবস্থায় পাসপোর্ট, ভ্রমণ নথি এবং পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য আরও গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা হবে।
বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী ভিসা, আন্তর্জাতিক ভ্রমণ, কানাডায় প্রবেশের তারিখ, পূর্ববর্তী অভিবাসন আবেদন এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে অন্য দেশে আশ্রয় চাওয়ার ইতিহাসও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
তথ্য গোপন করা বা ভুল তথ্য দেওয়া আবেদনকারীর বিশ্বাসযোগ্যতা ও আইনি অবস্থানকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
৫. কাজের অনুমতি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ
নতুন নিয়মে যোগ্য আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য কাজের অনুমতির ব্যবস্থা বহাল রাখা হয়েছে।
পূর্ণাঙ্গ আশ্রয় আবেদন জমা দেওয়ার পর নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে তাঁরা কাজের অনুমতির জন্য যোগ্য হতে পারেন। ফলে আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় বৈধভাবে কাজ করে নিজেদের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহ করার সুযোগ থাকবে।
তবে মনে রাখতে হবে, আশ্রয়ের আবেদন করলেই সঙ্গে সঙ্গে কাজের অনুমতি পাওয়া যায় না। আবেদন সম্পূর্ণ হওয়া এবং প্রযোজ্য যোগ্যতার শর্ত পূরণ করা জরুরি।
৬. নিরাপত্তা যাচাই ও আবেদনকারীর বিশ্বাসযোগ্যতা
নতুন ব্যবস্থায় IRCC, CBSA এবং সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলো আবেদনকারীর তথ্য আরও সমন্বিতভাবে যাচাই করবে।
এতে যেসব বিষয় গুরুত্ব পাবে:
- পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাই।
- পূর্ববর্তী অভিবাসন ও ভ্রমণ ইতিহাস।
- অপরাধসংক্রান্ত তথ্য ও নিরাপত্তা যাচাই।
- আবেদনকারীর বক্তব্য ও জমা দেওয়া নথির সামঞ্জস্য।
- প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে প্রতারণা বা ভুল তথ্যের ঝুঁকি যাচাই।
এ ছাড়া আবেদনকারী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে তাঁর আবেদন পরিত্যক্ত (Abandoned) হিসেবে বিবেচিত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।
অতএব, আবেদন জমা দেওয়ার পর নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা এবং প্রতিটি সময়সীমা মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
৭. আশ্রয়প্রার্থীদের সংখ্যা কমেছে: সরকারের পরিসংখ্যান কী বলছে?
কানাডার সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত আশ্রয়ের আবেদন আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫২ শতাংশ কমেছে। ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় কমেছে ৬৮ শতাংশ।
সরকারের মতে, নতুন ব্যবস্থা অভিবাসন ব্যবস্থার ওপর চাপ কমাতে এবং প্রকৃত সুরক্ষার প্রয়োজন রয়েছে এমন ব্যক্তিদের আবেদন দ্রুত বিবেচনা করতে সহায়তা করবে।
তবে আবেদন কমে যাওয়াকে শুধু নতুন আইনের ফল বলা যাবে না। ভিসা যাচাই, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, কানাডার অভিবাসননীতি এবং অন্যান্য প্রশাসনিক পরিবর্তনও এর পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।
৮. বাংলাদেশি অভিবাসীদের জন্য আমার পরামর্শ
একজন সাংবাদিক ও সমাজকর্মী হিসেবে কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতি আমার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ রয়েছে।
১. কানাডায় প্রবেশের তারিখ, পাসপোর্ট, ভিসা এবং ভ্রমণসংক্রান্ত সব নথি সংরক্ষণ করুন।
২. দেশে ফিরে গেলে বাস্তব নিরাপত্তাঝুঁকি থাকলে সেটি যথাযথ প্রমাণসহ আইনগতভাবে উপস্থাপন করুন।
৩. কোনো দালাল বা অননুমোদিত ব্যক্তির প্ররোচনায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে আশ্রয়ের আবেদন করবেন না।
৪. নতুন নিয়মে প্রভাবিত হওয়ার আশঙ্কা থাকলে দ্রুত একজন অনুমোদিত কানাডীয় ইমিগ্রেশন আইনজীবী বা লাইসেন্সধারী RCIC-এর পরামর্শ নিন।
৫. আবেদন জমা দেওয়ার পর IRCC-এর প্রতিটি চিঠি, সাক্ষাৎকারের তারিখ এবং নথি জমা দেওয়ার সময়সীমা গুরুত্বের সঙ্গে অনুসরণ করুন।
৬. পরিবারের সদস্যদের আবেদন, পাসপোর্ট ও পরিচয়সংক্রান্ত তথ্যেও কোনো অসংগতি যেন না থাকে, তা নিশ্চিত করুন।
উপসংহার: নতুন নিয়ম কি প্রকৃত আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য বাধা, নাকি সুরক্ষার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ?
কানাডা দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নির্যাতিত ও ঝুঁকিতে থাকা মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল। নতুন নিয়মের মাধ্যমে সরকার একদিকে আবেদন প্রক্রিয়া দ্রুত ও সুশৃঙ্খল করতে চাইছে, অন্যদিকে আবেদনকারীদের জন্য সময়সীমা ও যোগ্যতার শর্ত আরও স্পষ্ট করেছে।
আমাদের মনে রাখতে হবে, শরণার্থী সুরক্ষা কোনো সাধারণ অভিবাসন বিকল্প নয়। এটি এমন মানুষের জন্য একটি আইনি ব্যবস্থা, যাঁরা নিজ দেশে ফিরে গেলে নির্দিষ্ট ধরনের নির্যাতন বা গুরুতর বিপদের বাস্তব আশঙ্কায় রয়েছেন।
বাংলাদেশি নাগরিকদের ক্ষেত্রেও একই আইন প্রযোজ্য। পাসপোর্টের রং বা দেশের নাম নয়, বরং ব্যক্তির প্রকৃত পরিস্থিতি, প্রমাণ, আইনি যোগ্যতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতাই গুরুত্বপূর্ণ।
আমরা চাই, কানাডার অভিবাসনব্যবস্থা ন্যায়বিচার, মানবিকতা এবং আইনের শাসনের ভিত্তিতে পরিচালিত হোক। একই সঙ্গে বাংলাদেশি অভিবাসীরা যেন সঠিক তথ্য জেনে নিজেদের অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
সচেতনতা, সঠিক তথ্য এবং সময়মতো আইনি পরামর্শই হতে পারে নতুন অভিবাসন বাস্তবতায় সবচেয়ে বড় সুরক্ষা।
লেখক:
সাংবাদিক, সমাজকর্মী ও কমিউনিটি সংগঠক,
কানাডা
(প্রতিবেদনটি জনসচেতনতা ও তথ্যভিত্তিক বিশ্লেষণের উদ্দেশ্যে লেখা। ব্যক্তিগত ইমিগ্রেশন বা আইনি পরামর্শ নয়।)
বিশেষ প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ
কানাডার আশ্রয়নীতি ২০২৬: নতুন নিয়মে কী পরিবর্তন, কতটা বাড়ল কঠোরতা? বাংলাদেশিদের জন্য সতর্কবার্তা
রহিম মোহাম্মদ আবদুর
অনলাইন
২ ঘন্টা আগে
৬ নভেম্বর (শুক্রবার), ২০২৬, ৬ঃ৩৮ (পূর্বাহ্ণ)
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
