বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত ৩৭৬ জন শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত হয়েছেন, যার মধ্যে স্কুল পর্যায়ে ২৭২ জন এবং কলেজ পর্যায়ে ১০৪ জন রয়েছেন। এছাড়া বিএড স্কেলে মোট ১ হাজার ৫৯৪ জন। যার মধ্যে সবাই স্কুল পর্যায়ের। আর উচ্চতর গ্রেড বা টাইম স্কেলে মোট ৫ হাজার ৪৭৪ জন। এর মধ্যে স্কুলে ৫ হাজার ১৬৯ জন ও কলেজ ৩০৫ জন রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এমপিও কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। মাউশির তথ্যানুযায়ী, অঞ্চলভিত্তিক হিসাবে নতুন এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে রাজশাহী। এ অঞ্চলে স্কুলের ৭৫ জন ও কলেজের ৩৪ জনসহ মোট ১০৯ জন শিক্ষক নতুন করে এমপিওভুক্ত হয়েছেন। এরপর রংপুরে ৮৭ জন এবং ঢাকায় ৬৯ জন শিক্ষক নতুন এমপিও পেয়েছেন। তবে শুধু নতুন এমপিও নয়, বিএড স্কেল ও উচ্চতর গ্রেড বা টাইম স্কেল পাওয়ার ক্ষেত্রেও বিভিন্ন অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষক রয়েছেন। এর মধ্যে খুলনা অঞ্চলে সর্বোচ্চ ১ হাজার ২৭৫ জন শিক্ষক উচ্চতর গ্রেড বা টাইম স্কেল পেয়েছেন।
অন্যদিকে, এমপিও সংক্রান্ত ৩ হাজার ১৮৭টি আবেদন এখনো নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। এর মধ্যে স্কুল পর্যায়ের ২ হাজার ৪৯৩টি এবং কলেজ পর্যায়ের ৬৯৪টি আবেদন। অঞ্চলভিত্তিক হিসাবে রাজশাহীতে সবচেয়ে বেশি ৫৫৬টি আবেদন বকেয়া রয়েছে।
এছাড়া বরিশালে ৪৭৪টি, ঢাকায় ৪৯২টি, রংপুরে ৪৬৯টি এবং খুলনায় ৪০৬টি আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। সারা দেশে স্কুল পর্যায়ে ১১ হাজার ৩৪৩টি এবং কলেজ পর্যায়ে ১ হাজার ৯০৭টিসহ মোট ১৩ হাজার ২৫০টি এমপিও সংক্রান্ত আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২৪ শতাংশ আবেদন এখনো নিষ্পত্তি হয়নি।
