২২৩ টাকা বেড়ে ১২ কেজির এলপিজি’র দাম ২ হাজার ছাড়ালো

২২৩ টাকা বেড়ে ১২ কেজির এলপিজি’র দাম ২ হাজার ছাড়ালো

ফন্ট সাইজ:

ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম আবারো বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা থেকে ২২৩ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬০ টাকা। গত মাসেও এই সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। গতকাল নতুন দর ঘোষণা করে বিইআরসি। গত সন্ধ্যা থেকেই তা কার্যকর হয়েছে। একই হারে সাড়ে ৫ থেকে ৪৫ কেজি পর্যন্ত অন্যান্য সিলিন্ডারের দামও বেড়েছে। গাড়িতে ব্যবহৃত তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (অটোগ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯১ টাকা ৯৫ পয়সা করা হয়েছে। আগের মাসে অটোগ্যাসের দাম ৭৩ টাকা ৯ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

এদিকে দীর্ঘদিন অপরিবর্তিত থাকার পর সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা সাড়ে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দামও বাড়ানো হয়েছে। এর দাম ৮২৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সরকারি এই এলপিজি’র সরবরাহ খুবই সীমিত। ফলে সাধারণ ভোক্তাদের বড় অংশই এ সুবিধা পান না। আন্তর্জাতিক বাজারের দামের সঙ্গে সমন্বয় করে বিইআরসি মূল্য নির্ধারণ করলেও দেশের বাজারে সেই দামে সিলিন্ডার পাওয়া যায় না। নতুন দর কার্যকরের আগেই ১২ কেজির সিলিন্ডার ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করছিলেন খুচরা বিক্রেতারা। নতুন করে দাম বাড়ায় বাজারে ভোক্তার খরচ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এলপিজি আমদানিকারকদের দাবি, তারা বিইআরসি’র নির্ধারিত দামেই পণ্য বিক্রি করেন। কিন্তু পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতাদের একাংশ কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ভোক্তার কাছ থেকে বাড়তি দাম আদায় করছেন। বৃহস্পতিবার বিইআরসি’র আয়োজিত গণশুনানিতে আমদানিকারক, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতারা এলপিজি বিক্রিতে কমিশন বাড়ানোর দাবি জানান। তাদের যুক্তি, বিভিন্ন পর্যায়ে পরিচালন ও পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। তবে গণশুনানিতে অংশ নিয়ে ক্যাব’র নেতৃবৃন্দ দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করলেও ৪ দিনের মাথায় এলপিজি’র বর্ধিত দাম ঘোষণা করলো নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বিইআরসি।