বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প ভারতের কাছে একদিকে প্রতিযোগী, অন্যদিকে অনুসরণযোগ্য উদাহরণ। ভারতীয় গবেষণায় বাংলাদেশের রপ্তানি-সাফল্য, উৎপাদনব্যবস্থা ও শ্রমপরিবেশের আলোচনা যেমন এসেছে, তেমনি ভারতীয় শিল্পসংগঠনের বক্তব্যে প্রকাশ পেয়েছে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতার বাণিজ্যিক স্বার্থ।
বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের সাফল্য শুধু দেশের অর্থনীতির ইতিহাসে নয়, দক্ষিণ এশিয়ার শিল্প ও বাণিজ্যের মানচিত্রেও গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে। কয়েক দশক আগে যে দেশটি পোশাক আমদানিনির্ভর ছিল, সেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বের অন্যতম প্রধান তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক। লাখো শ্রমিকের কর্মসংস্থান, বিশেষত নারীদের অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং শিল্পায়নের বিস্তারে এ খাতের ভূমিকা সুপরিচিত। বাংলাদেশের এই অগ্রগতি প্রতিবেশী ভারতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ভারত নিজেও তুলা, সুতা, কাপড় ও তৈরি পোশাকের একটি বড় উৎপাদক এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের সরাসরি প্রতিযোগী।
এই প্রতিযোগিতা কেবল রপ্তানি বাজারে সীমাবদ্ধ নয়। কোন দেশ কম খরচে পণ্য তৈরি করতে পারে, কে দ্রুত ক্রেতার কাছে পণ্য পৌঁছাতে পারে, কার সরবরাহব্যবস্থা বেশি নির্ভরযোগ্য এবং কোন দেশ আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের আস্থা অর্জন করতে পারে—এসব প্রশ্নের ওপর দুই দেশের শিল্পের অবস্থান নির্ভর করে। ফলে ভারতের গবেষণা প্রতিষ্ঠান, নীতিবিশ্লেষক ও শিল্পসংগঠনগুলোর কাছে বাংলাদেশের পোশাকশিল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।
ভারতীয় গবেষণায় বাংলাদেশের অবস্থান বোঝার জন্য Indian Council for Research on International Economic Relations (ICRIER)-এর কাজ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ভারতের এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি দেশটির বাণিজ্য, শিল্প ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে নীতিভিত্তিক গবেষণা করে। বাংলাদেশের পোশাকশিল্প নিয়ে তাদের আগ্রহের একটি কারণ স্পষ্ট—আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশ এমন কিছু প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা অর্জন করেছে, যেগুলো ভারত নিজের শিল্পনীতির উন্নয়নে বিশ্লেষণ করতে চায়।
ICRIER-এর গবেষক Meenu Tewari ও Manjeeta Singh-এর Benchmarking the International Competitiveness of the Indian Textile and Apparel Industry শীর্ষক গবেষণাটি এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। ভারতের বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ২০০৮ সালের নভেম্বর থেকে ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পরিচালিত এই গবেষণায় ভারত, বাংলাদেশ, চীন, পাকিস্তান ও ভিয়েতনামের পোশাকশিল্পের তুলনামূলক প্রতিযোগিতা বিশ্লেষণ করা হয়।
গবেষণায় ভারতের পোশাকশিল্পের কয়েকটি কাঠামোগত দুর্বলতা উঠে আসে। উৎপাদন ব্যয়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্য, পরিবহন, শিপিং, করব্যবস্থা এবং পণ্য সরবরাহে সময়ক্ষেপণকে প্রতিযোগিতার পথে বাধা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে সময়মতো পণ্য সরবরাহের সক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উঠে আসে। গবেষণাটির মূল শিক্ষা ছিল, শুধু উৎপাদনক্ষমতা থাকলেই আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকা যায় না; উৎপাদন থেকে পণ্য সরবরাহ পর্যন্ত পুরো ব্যবস্থাকে দক্ষ করতে হয়। এই বিশ্লেষণে বাংলাদেশের গুরুত্ব এখানেই যে, ভারতীয় গবেষকেরা বাংলাদেশের মতো দেশকে নিজেদের শিল্পের তুলনামূলক মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহার করেছেন।
ভারত ও বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির তুলনামূলক সুবিধা নিয়ে Mohan Kathuria ও Lalit-এর ২০১৩ সালের গবেষণাও উল্লেখযোগ্য। Analyzing Competitiveness of Clothing Export Sector of India and Bangladesh: Dynamic Revealed Comparative Advantage Approach শীর্ষক গবেষণাটি Competitiveness Review-এ প্রকাশিত হয়। এতে ১৯৯৫ ও ২০০৩ সালের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যতথ্য ব্যবহার করে দুই দেশের পোশাক রপ্তানির অবস্থান বিশ্লেষণ করা হয়।
গবেষণায় Revealed Comparative Advantage বা RCA সূচক ব্যবহার করা হয়। এই সূচকের মাধ্যমে বোঝার চেষ্টা করা হয়, কোনো দেশের মোট রপ্তানিতে নির্দিষ্ট পণ্যের গুরুত্ব বিশ্ববাজারে ওই পণ্যের গুরুত্বের তুলনায় কতটা বেশি। গবেষণার ফল অনুযায়ী, যেসব পোশাক পণ্যশ্রেণিতে ভারতের তুলনামূলক রপ্তানি-সুবিধা ছিল, তার সংখ্যা ১৯৯৫ সালের ২৩টি থেকে ২০০৩ সালে ২৫টিতে উন্নীত হয়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ২১টি থেকে বেড়ে ২৯টিতে পৌঁছায়।
বাংলাদেশের পোশাকশিল্প নিয়ে ভারতীয় গবেষণায় শ্রম অধিকার ও কর্মপরিবেশের বিষয়ও উঠে এসেছে। Meenakshi Ramesh Kurpad-এর ২০১৪ সালের Made in Bangladesh: Challenges to the Ready-made Garment Industry শীর্ষক গবেষণাটি Journal of International Trade Law and Policy-তে প্রকাশিত হয়। এতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের চ্যালেঞ্জ হিসেবে শ্রমিকের অধিকার, ট্রেড ইউনিয়ন, আচরণবিধি এবং যৌথ দর-কষাকষির বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়েছে।
গবেষকের বক্তব্য ছিল, শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষিত করতে কার্যকর যৌথ দর-কষাকষি এবং শ্রমিক প্রতিনিধিত্বের ব্যবস্থা শক্তিশালী করা প্রয়োজন। বাংলাদেশের পোশাকশিল্পে শ্রমিকের নিরাপত্তা, ন্যায্য মজুরি ও সংগঠিত হওয়ার অধিকার নিয়ে যে আলোচনা দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে, গবেষণাটি তারই অংশ। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত ও বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের প্রতিযোগিতা নিয়ে প্রকাশিত গবেষণাগুলোর মধ্যে Saba Parveen-এর ২০২৫ সালের Comparative Analysis of India and Bangladesh Apparel Industry উল্লেখযোগ্য। European Economic Letters-এ প্রকাশিত এই গবেষণায় ২০০৪ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত দুই দেশের পোশাক রপ্তানি ও আমদানির তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষক ITC Trade Map-এর তথ্য ব্যবহার করে নিট ও ওভেন পোশাকের বিভিন্ন পণ্যশ্রেণির তুলনা করেছেন।
গবেষণায় পুরুষদের শার্টের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের RCA মান ৬৮.৯৯ এবং ভারতের ৩.৫৪ দেখানো হয়েছে। অন্যদিকে নারীদের স্যুটের ক্ষেত্রে ভারতের RCA ১০.৭৮, বাংলাদেশের ০.৪৭। পুরুষদের ব্লেজারের ক্ষেত্রে ভারতের মান ২.২৩ এবং বাংলাদেশের ১.৭০। এই পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায়, সব ধরনের পোশাকে কোনো একটি দেশ সমানভাবে এগিয়ে নেই। পুরুষদের শার্টের মতো পণ্যশ্রেণিতে বাংলাদেশের তুলনামূলক রপ্তানি-সুবিধা অনেক বেশি; অন্যদিকে কিছু বিশেষায়িত পোশাকে ভারতের অবস্থান তুলনামূলক শক্তিশালী।
ভারতের নিজস্ব পোশাক রপ্তানি কৌশল নিয়ে ICRIER-এর সাম্প্রতিক নীতিপত্র A Stitch in Time: Fast-Tracking India’s Textile and Apparel Value Chain Integration বাংলাদেশকে আলোচনায় আরও স্পষ্টভাবে নিয়ে এসেছে। এতে ভারতের বস্ত্র ও পোশাকশিল্পের কাঠামোগত সমস্যা এবং ২০৩০ সালের মধ্যে রপ্তানি বাড়ানোর সম্ভাব্য কৌশল তুলে ধরা হয়েছে। নীতিপত্রে ভারতের Economic Survey 2024–25-এর তথ্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, বস্ত্র ও পোশাক খাত ভারতের GDP-র ২.৩ শতাংশ, শিল্প উৎপাদনের ১৩ শতাংশ এবং মোট রপ্তানির ১২ শতাংশের সঙ্গে যুক্ত। একই নথিতে এ খাতে ৪৫ মিলিয়নের বেশি মানুষের সরাসরি কর্মসংস্থানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
নীতিপত্রে বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারে polyester ও viscose-এর মতো man-made fibre বা কৃত্রিম তন্তুর ব্যবহার বাড়ছে। কিন্তু এই পরিবর্তনের সঙ্গে ভারতের শিল্পকে আরও দ্রুত খাপ খাওয়াতে হবে। বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের পোশাক রপ্তানির অগ্রগতিও এই আলোচনায় এসেছে। ভারতের লক্ষ্য ২০২৩–২৪ অর্থবছরের ৩৪.৮ বিলিয়ন ডলারের বস্ত্র ও পোশাক রপ্তানিকে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা। এই লক্ষ্য অর্জনে কাঁচামাল, সুতা, কাপড়, পোশাক উৎপাদন এবং আন্তর্জাতিক বাজারের মধ্যে সমন্বিত সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এখানে বাংলাদেশের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, ICRIER-এর বিশ্লেষণে বাংলাদেশের ব্যাক-টু-ব্যাক Letter of Credit বা এলসি এবং bonded warehouse বা বন্ডেড ওয়্যারহাউস ব্যবস্থার কথা এসেছে। এসব ব্যবস্থাকে উৎপাদন ও সরবরাহের সময় কমানোর ক্ষেত্রে সহায়ক হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। অর্থাৎ বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের সাফল্য শুধু শ্রমের ব্যয়ের ওপর নির্ভরশীল নয়; এর পেছনে রয়েছে অর্থায়ন, কাঁচামাল সংগ্রহ, আমদানি-সুবিধা ও উৎপাদনব্যবস্থার একটি বিশেষ কাঠামো।
ICRIER-এর আরেকটি নীতিপত্র Stitching India’s Apparel Export Strategy: Lessons from China, Bangladesh and Vietnam-এও বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ভারতের জন্য তুলনামূলক শিক্ষণীয় উদাহরণ হিসেবে আলোচিত হয়েছে। সেখানে উৎপাদনের পরিসর, মূলধন, শ্রম, বাণিজ্য-সহায়তা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার মতো বিষয় বিশ্লেষণ করা হয়েছে। চীনের বৃহৎ ও সমন্বিত শিল্পাঞ্চল, ভিয়েতনামের বিদেশি বিনিয়োগ এবং বাংলাদেশের রপ্তানি-সহায়ক ব্যবস্থাকে আলাদা আলাদা অভিজ্ঞতা হিসেবে দেখা হয়েছে।
তবে গবেষণার বাইরে ভারতীয় বস্ত্রশিল্পের সরাসরি বাণিজ্যিক স্বার্থের বিষয়টি আরও স্পষ্টভাবে দেখা যায় ২০২৫ সালের মে মাসের ঘটনাপ্রবাহে। ভারতের বস্ত্রশিল্পের সংগঠন Confederation of Indian Textile Industry বা CITI ১৮ মে ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক আমদানির ওপর স্থলবন্দর-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ নিয়ে একটি বক্তব্য প্রকাশ করে। ভারতের Directorate General of Foreign Trade বা DGFT ১৭ মে ২০২৫ তারিখে Notification No. 07/2025-26 জারি করে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক আমদানির ক্ষেত্রে স্থলবন্দর ব্যবহারে বিধিনিষেধ আরোপ করে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশি তৈরি পোশাক ভারতীয় বাজারে প্রবেশ করতে পারবে কলকাতা ও Nhava Sheva সমুদ্রবন্দর দিয়ে। অর্থাৎ আমদানি পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি, তবে স্থলপথের পরিবর্তে নির্দিষ্ট সমুদ্রবন্দর ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছে।
CITI-এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ভারত বাংলাদেশ থেকে ৬৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তৈরি পোশাক আমদানি করেছিল। সংগঠনটি জানায়, গত দশ বছরে এই আমদানির গড় বার্ষিক বৃদ্ধির হার ছিল ১৯ শতাংশ এবং আমদানির বড় অংশ স্থলপথে আসত। CITI-এর চেয়ারম্যান Rakesh Mehra ভারতের এই সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতীয় তুলার সুতা রপ্তানিতে আরোপিত বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে একটি “strong and strategic response” হিসেবে বর্ণনা করেন।
আরও তাৎপর্যপূর্ণ হলো, CITI-এর চেয়ারম্যান বলেন, স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশি পোশাক আমদানি সীমিত হওয়ায় ভারতীয় বাজারে বাংলাদেশের পোশাকের আমদানি ব্যয় বাড়বে এবং ভারতের নিজস্ব পোশাক প্রস্তুতকারকদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হবে। এই বক্তব্য বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে ভারতের একটি শিল্পসংগঠন প্রকাশ্যেই স্বীকার করছে যে বাণিজ্যিক বিধিনিষেধের ফলে ভারতীয় উৎপাদকরা বাজারে সুবিধা পেতে পারেন।
এখন প্রশ্ন হলো, ভারতীয় গবেষকদের মাধ্যমে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা চলছে কি না। আলোচিত গবেষণাগুলোতে বাংলাদেশের শ্রমপরিবেশ, উৎপাদনব্যয়, পণ্যভিত্তিক প্রতিযোগিতা এবং রপ্তানির সীমাবদ্ধতা নিয়ে সমালোচনামূলক আলোচনা রয়েছে। পরিকল্পিত ভারতীয় একাডেমিক অপপ্রচার বা বাংলাদেশের পোশাকশিল্প ধ্বংসের সমন্বিত প্রচারণা হিসেবে প্রমাণ করার মতো তথ্য আছে কিনা সেটা আরও গবেষণার বিষয়। ভারত বাংলাদেশের পোশাকশিল্পকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগী হিসেবে বিবেচনা করছে। ভারতের গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশের শিল্প-সাফল্য বিশ্লেষণ করছে এবং ভারতের নিজস্ব শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করার জন্য বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে চাইছে। একই সঙ্গে ভারতীয় বস্ত্রশিল্পের সংগঠনগুলো এমন নীতিগত পদক্ষেপকে সমর্থন করছে, যা বাংলাদেশি পণ্যের আমদানি ব্যয় বাড়িয়ে ভারতের স্থানীয় উৎপাদকদের জন্য সুযোগ তৈরি করতে পারে। এগুলো অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতা ও বাণিজ্যিক স্বার্থের প্রমাণ।
