ফেলে নামকরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ২ কলেজ

ফন্ট সাইজ:

এইচএসসি পরীক্ষায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দুই কলেজ থেকে কেউ পাস করেননি। ৯ পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল করেছে। ফেলে নামকরা এ কলেজ দু’টি হচ্ছে নবীনগর উপজেলার বীরগাঁও স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং জিনোদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। তাছাড়া জেলার ৭২ কলেজের মধ্যে ৫০টিতেই জিপিএ-৫ নেই। বীরগাঁও স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে সাতজন এবং জিনোদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৯ জন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে, এ নয়জনই ফেল করেছে।
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। এরমধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের ওই দু’টি কলেজ রয়েছে। ফলাফল তালিকা বিশ্লেষণে দেখা যায়, জেলার ৯টি উপজেলার ৭২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এ বছর মোট ১১ হাজার ৬৫০ জন এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ৫ হাজার ৮৪২ জন পাস করেছে। সে হিসাবে জেলায় পাসের হার ৫০.১৫ শতাংশ। এ বছর জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩৫ জন।
জেলার ৭২টি কলেজের মধ্যে মাত্র ২২টিতে জিপিএ-৫ রয়েছে। সবচেয়ে বেশি ৯১টি জিপিএ-৫ পেয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ৫৯ জন, মানবিক বিভাগ থেকে ২২ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ১০ জন শিক্ষার্থী এ ফল অর্জন করেছে। এ ছাড়া নাসিরনগর সরকারি কলেজের মানবিক বিভাগ থেকে সাতজন, আশুগঞ্জ সারকারখানা কলেজ থেকে পাঁচজন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজ ও কসবা মহিলা কলেজ থেকে চারজন করে এবং নবীনগর সরকারি কলেজ ও বিটঘর দানবীর মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য বিদ্যাপীঠ থেকে তিনজন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে। আখাউড়া ক্যামব্রিয়ান কলেজ, নবীনগর মহিলা কলেজ এবং বিজয়নগরের কাজী মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম কলেজ থেকে দু’জন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে। এ ছাড়া জেলার আরও ১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন করে শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
এদিকে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শিক্ষা অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত ২০২৬ সালের এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার ফলাফল তালিকা অনুযায়ী, জেলার নয়টি উপজেলায় আলিম পরীক্ষায় অংশ নেয়া ৮৬৯ জনের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫৬১ জন। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র নয়জন। অন্যদিকে, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি (বিএমটি) কোর্সে জেলার ৭১৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৩৭ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। এ শাখা থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩ জন।