দিনাজপুর বোর্ডে সর্বনিম্ন পাসের হার

৪৯ প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি

দিনাজপুর বোর্ডে সর্বনিম্ন পাসের হার

ফন্ট সাইজ:

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড দিনাজপুর-এ এইচএসসি পরীক্ষার পাসের হার ও জিপিএ-৫ দুটোই কমেছে। এবার পাসের হার ৪৫.৯৮ শতাংশ। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৯৫৩ জন শিক্ষার্থী। এটি এই শিক্ষা বোর্ডের ইতিহাসে সর্বনিম্ন পাসের হার। আর ৪৯টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করেনি। পাশাপাশি মাত্র ৬টি প্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। শনিবার সকালে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল পরিসংখ্যান তুলে ধরে প্রেস ব্রিফিং করেন শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. বোরহান উদ্দিন। পরিসংখ্যানে জানানো হয়, এবারে এই বোর্ডের অধীনে ৮টি জেলার ৬৬৮টি প্রতিষ্ঠানের মোট ১ লাখ ১১ হাজার ৭৮৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে ৫১ হাজার ৩৯৮ জন পরীক্ষার্থী পাস করেছে। মোট পাসের হার ৪৫.৯৮ শতাংশ। এবারে এই বোর্ড থেকে ২ হাজার ৯৫৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

তাদের মধ্যে ছাত্র ১ হাজার ৩৮৩ জন এবং ছাত্রী পেয়েছে ১ হাজার ৫৭০ জন। এবার ৪৯টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি এবং শতভাগ পাস করেছে মাত্র ৬টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষা বোর্ডের পরিসংখ্যান হিসাবে গত ৮ বছরের মধ্যে ২০১৬ সালে এই বোর্ডের অধীনে ৭৪.৬৪ শতাংশ, ২০১৭ সালে ৬৫.৪৪ শতাংশ, ২০১৮ সালে ৬০.২১ শতাংশ, ২০১৯ সালে ৭১.৭৮ শতাংশ, ২০২০ সালে করোনার কারণে পরীক্ষা না হওয়ায় ১০০ শতাংশ, ২০২১ সালে সব বিভাগে তিনটি ঐচ্ছিক বিষয়ে পরীক্ষা হওয়ায় ৯২.৪৩ শতাংশ, ২০২২ সালে সব বিষয়ে পরীক্ষায় ৭৯.০৮ শতাংশ, ২০২৩ সালে ৭৪.৪৮ শতাংশ, ২০২৪ সালে ৭৭.৫৬ শতাংশ ও ২০২৫ সালে ৫৭.৪৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করে। প্রাপ্ত ফলাফলে এবারে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা ভালো করেছে।

বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের পাসের হার ৬৬.৭৭ শতাংশ, মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের পাসের হার ৩৯.৯৩ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের পাসের হার ৩৫.৭৩ শতাংশ। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর বোরহান উদ্দিন স্বাক্ষরিত পরিসংখ্যানে জানানো হয়, এ বছর বোর্ডের অধীনে আট জেলার ৬৬৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট এক লাখ ১১ হাজার ৭৮৭ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তাদের মধ্যে ৫১ হাজার ৩৯৮ জন পরীক্ষার্থী পাস করেছে। মোট পাসের হার ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ। আর বোর্ড থেকে ২ হাজার ৯৫৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। তাদের মধ্যে ছাত্র ১ হাজার ৩৮৩ জন এবং ছাত্রী পেয়েছে ১ হাজার ৫৭০ জন। মোট পাসের মধ্যে মেয়েদের পাসের হার ৫০ দশমিক ৫৬ শতাংশ এবং ছেলেদের পাসের হার ৪১ দশমিক ৩১ শতাংশ। মেয়েরা ৯ দশমিক ২৫ শতাংশ বেশি পাস করেছে।