ঢাকার নবাবগঞ্জে ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে সরকারি ও বেসরকারি কলেজের মধ্যে পাসের হারে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান দেখা গেছে। উপজেলার কলেজগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে সরকারি দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ। পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায়ও প্রতিষ্ঠানভেদে রয়েছে বড় পার্থক্য। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, উপজেলার আটটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাসের হারে শীর্ষে রয়েছে বেসরকারি সেন্ট ইউফ্রেজিস বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজ। প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার ৮৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে বান্দুরা হলিক্রস কলেজ, পাসের হার ৮৪ দশমিক ০৯ শতাংশ। অন্যদিকে সরকারি দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজের পাসের হার ৪১ দশমিক ৭৮ শতাংশ। অর্থাৎ শীর্ষে থাকা সেন্ট ইউফ্রেজিস বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজের তুলনায় সরকারি কলেজটির পাসের হার প্রায় ৪৫ শতাংশ পয়েন্ট কম।
এ ছাড়া শোল্লা স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাসের হার ৫৮ দশমিক ১১ শতাংশ, পাইলট বালিকা কলেজের ৫২ দশমিক ১১ শতাংশ, তোফাজ্জল হোসেন কলেজের ৩১ দশমিক ৯৪ শতাংশ, ইছামতি কলেজের ২৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ এবং পিকেবি স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাসের হার মাত্র ২২ দশমিক ৮৬ শতাংশ। জিপিএ-৫ প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও রয়েছে ভিন্ন চিত্র। পুরো উপজেলায় ১০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর মধ্যে বেসরকারি সেন্ট ইউফ্রেজিস বালিকা কলেজ থেকে সাতজন এবং সরকারি দোহার-নবাবগঞ্জ কলেজ থেকে তিনজন। বাকি ছয়টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পায়নি। শিক্ষাসংশ্লিষ্টদের মতে, একটি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল মূল্যায়নে শুধু পাসের হার নয়- শিক্ষার্থীর সংখ্যা, শিক্ষক সংখ্যা, পাঠদানের পরিবেশ ও নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রমও বিবেচনায় নেয়া প্রয়োজন। পিছিয়ে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া জরুরি।
