নাঈম-রবিনের ডাবল সেঞ্চুরি অপেক্ষায় আরেক ওপেনার

এনসিএল

নাঈম-রবিনের ডাবল সেঞ্চুরি অপেক্ষায় আরেক ওপেনার

ফন্ট সাইজ:

জাতীয় ক্রিকেট লীগে (এনসিএল) চলছে ব্যাটারদের দাপট। চতুর্থ রাউন্ড শেষ না হতেই ২৩টি সেঞ্চুরির দেখা মিলেছে। রান উৎসবে যোগ দেয়া সবশেষ ব্যাটার জাকির হাসান। খুলনার বিপক্ষে ১৬০ রানে অপরাজিত সিলেটের এ ওপেনার। আজ ৪০ রান করতে পারলে চলতি এনসিএলের চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরির দেখা পাবেন জাকির। এর আগে গতকাল দু’টি আলাদা দলের হয়ে ডাবল সেঞ্চুরি করেন ওপেনার নাঈম শেখ ও মাহফিজুল ইসলাম রবিন।

রাজশাহীতে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ট্রিপল সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও ১৮ রান দূরে থাকতে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার নাঈম শেখ। ট্রিপল সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ থাকলেও খেলেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের ক্যারিয়ারসেরা ২৮২ রানের ইনিংস। ৩৬৯ বল খেলা এ ইনিংসে ছিল ২১টি চার ও ৭টি ছক্কার মার। এর আগে ৪৬টি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নাঈমের সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল ১৮০ রানের। তাকে সঙ্গ দেয়া অধিনায়ক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন খেলেন ১৬৫ রানের ইনিংস। এ দু’জনের দাপুটে ব্যাটিংয়ে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেট হারিয়ে ৫১১ রান তোলে ঢাকা। জবাব দিতে নেমে ১০৬ রানে ৬ ব্যাটারকে হারিয়ে বিপদে রাজশাহী। দলটির টপ অর্ডারে চার ব্যাটার দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। ঢাকার হয়ে পেসার সুমন খান ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন। একই দিনে নাঈম শেখের মতো ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন মাহফিজুল ইসলাম রবিন।

বগুড়ায় চট্টগ্রামের বিপক্ষে ২০ চার ও ২ ছক্কায় ৩৫১ বলে অপরাজিত ২১৭ রানের ইনিংস খেলেন ময়মনসিংহের এ ওপেনার। এর আগে, প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এক ইনিংসে মাহফিজুলের সর্বোচ্চ ছিল ১২৭ রান। চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক মাহফিজুল। ৭ ইনিংসে ১০২.৮৩ গড়ে ৬১৭ রান করেন তিনি। এ ছাড়া, ময়মনসিংহের হয়ে ফিফটি করেন মুনিম শাহরিয়ার ও শুভাগত হোম। তাদের ব্যাটে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেটে ৪৬৫ রান তোলে ইনিংস ঘোষণা করে ময়মনসিংহ। জবাবে ওপেনিং জুটিতে লড়াইয়ের বার্তা দেয় চট্টগ্রাম। আগের দুই রাউন্ডে সেঞ্চুরি করা সাদিকুর ৪২ রানে আউট হলে ভাঙে ১০৯ রানের জুটি। আরেক ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয়ও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ফেলেন ৭৬ রান করে। দ্বিতীয় দিন শেষে ২ উইকেটে ১৩৪ রান তোলে চট্টগ্রাম। ময়মনসিংহের চেয়ে তারা ৩৩১ রানে পিছিয়ে।

কক্সবাজারে সিলেট-খুলনার প্রথম দিনের খেলা বৃষ্টিতে পণ্ড হয়ে গিয়েছিল। তবে দ্বিতীয় দিন ৮৪ ওভারের খেলা মাঠে গড়ায়। খুলনার বিপক্ষে দ্বিতীয় দিন শেষে ২ উইকেট হারিয়ে ২৮০ রান তোলে সিলেট। অধিনায়ক ও ওপেনার জাকির হাসান রয়েছেন ডাবল সেঞ্চুরির অপেক্ষায়। খুলনার বিপক্ষে ১৬০ রানে অপরাজিত এ বাঁহাতি ব্যাটার। আরেক ওপেনার মুবিন আহমেদ দিশান খেলেন ৭১ রানের ইনিংস। সিলেট একাডেমি মাঠে বরিশালের বিপক্ষে ৪০২ রানে অলআউট হয় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন রংপুর। তাদের হয়ে ওপেনার মিম মোসাদ্দেক ৭৭ ও আবদুল্লাহ আল মামুন ৭৯ রানের ইনিংস খেলেন। জবাব দিতে নেমে ৩ উইকেটে ১৭৯ রান করে দিন শেষ করে বরিশাল। ওপেনার রাফসান আল মামুন ১১ রানের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত হন। ২২৩ রানে পিছিয়ে থেকে আজ আবারো ব্যাট করবে বরিশাল।