স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে এখনো ভালো লক্ষণ দেখছি না: জামায়াত আমীর

স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে এখনো ভালো লক্ষণ দেখছি না: জামায়াত আমীর

ফন্ট সাইজ:

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে এখনো ভালো লক্ষণ দেখছি না। বিএনপি’র একজন অবসরপ্রাপ্ত ক্যাডারকে নির্বাচন কমিশনের এডিশনাল সেক্রেটারি হিসাবে বসানো হয়েছে। একজন দলীয় লোককে কেন আনতে হবে এখানে এ প্রশ্ন জনগণের।’

শনিবার দুপুরে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউসে মুন হলে ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমীর আরও বলেন, ‘জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, যিনি জাতীয় সংসদের শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকেন, তিনি তার এলাকায় গিয়ে বলেছেন, যে জায়গায় বিএনপি’র প্রার্থী বিজয়ী হবে না, সেখানে কোনো সরকারি বরাদ্দ দেয়া হবে না। এটা লজ্জার বিষয়। তার মানে আগ থেকে জনগণকে ভয় দেখানো হচ্ছে। এরকম ভয়ভীতি এবং দলভীতির মধ্য দিয়ে নির্বাচন হলে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়ার সম্ভাবনা নেই।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘তবে হ্যাঁ নির্বাচনের আগে আমরা অবশ্যই রাস্তা পরিষ্কার করার চেষ্টা করব। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত আমরা চাইব। যখন সেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের নিশ্চয়তা পাব—তখন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। আমরা কারো স্কীপ গুড হতে চাই না। আমরা জনগণের অধিকার নিয়ে লড়তে চাই। আমরা চাই জনগণ যাকে ভোট দিয়ে পছন্দ করবে সেই ক্ষমতায় যাবে।’

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘আমরা সৌভাগ্যক্রমে একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পেয়েছি। তিনি সকল মন্ত্রণালয়ে সার্ভিস দেন। তার প্রাইম ডিউটি হচ্ছে নিজের মন্ত্রণালয় লুক আফটার করা। না তিনি মাদক নিয়ন্ত্রণ, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ করলেন, না তিনি সমাজে শৃঙ্খলা ফিরাতে পারলেন। রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলার দৃশ্যমান কোনো উন্নতি নেই।’

‘সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা বলেন, আইনশৃঙ্খলা আগের চেয়ে ভালো। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘এই আগের চেয়ে ভালোর মাপকাঠি ক তা আজ পর্যন্ত বুঝতে পারলাম না’—বলেন তিনি।

জামায়াত আমীর বলেন, ‘সংবাদপত্র সমাজের আয়না। তাদের আয়নায় সমাজের দোষ-ত্রুটি ধরা পড়ে। স্বাধীনতার পর ১৯৭৫ সালে সংবাদ মাধ্যমের ওপর আক্রমণ হয়েছিল। রাজনীতির ওপর আঘাত এসেছিল। বহুদলীয় গণতন্ত্র বাদ দিয়ে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েমের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সবগুলো সংবাদ মাধ্যম সরকার তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল। ৪টি ছাড়া আর কোনো সংবাদ মাধ্যমের অস্তিত্ব রাখা হয়নি।’