বিরোধ ভুলে ইনফান্তিনোর পাশে এএফসি

বিরোধ ভুলে ইনফান্তিনোর পাশে এএফসি

ফন্ট সাইজ:

বিরোধ ভুলে জিয়ান্নো ইনফান্তিনোর ফিফা সভাপতি পদে পুনর্নির্বাচনের পক্ষে সমর্থন দিলো এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি)। গতকাল জাপানের টোকিওতে এএফসি’র এক বৈঠকে এমনটাই জানান সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফা। কংগ্রেসে ইনফান্তিনোর উপস্থিতি ও নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে সালমান বলেন, ‘ফিফা সভাপতি হিসেবে নতুন মেয়াদে দায়িত্ব পালনের প্রক্রিয়ায় আমরা আপনার ও আপনার দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রতি পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছি। এশিয়ার বিভিন্ন দেশ সফর এবং এ অঞ্চলের ফুটবলের উন্নয়নে আপনার দেয়া প্রতিশ্রুতির গভীরতা আমরা স্পষ্টভাবে অনুধাবন করেছি।’ দুই মাস আগে ফিফার নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ‘বিশ্বাসের মৌলিক শর্ত ভাঙার’ অভিযোগ তুলে এএফসি। গত আগস্টে বিশ্বকাপসহ ফিফার শীর্ষ প্রতিযোগিতাগুলো আয়োজনের স্বত্ব বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রির পরিকল্পনার জন্য উয়েফা, কনকাক্যাফের সঙ্গে মিলে সমালোচনা করে এএফসি। ফুটবলে আরও বেশি বিনিয়োগ টানার মহৎ উদ্দেশ্য ছিল- এমন যুক্তি দেখিয়ে ফিফা কাউন্সিলের কাছে সম্প্রতি ক্ষমা চান সংস্থাটির সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।

পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ও এসংক্রান্ত যোগাযোগে কিছু ভুলত্রুটি হয়েছিল বলে স্বীকার করেন তিনি। অতীতের মতবিরোধ নিয়ে ইনফান্তিনোকে উদ্দেশ্য করে এএফসি সভাপতি শেখ সালমান বলেন, ‘জিয়ান্নি, হ্যাঁ, অতীতে আমাদের কিছু বিষয়ে কথা হয়েছিল। তবে দু’টি বিষয়কে এক করে মেলানো ঠিক হবে না। আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে। আমরা যখন একসঙ্গে কাজ করি, তখনই ফুটবল সবচেয়ে শক্তিশালী হয়। অতীত আমাদের ইতিহাসের অংশ হয়েই থাকবে। সেখান থেকে আমরা প্রত্যেকেই নিশ্চয়ই গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পেয়েছি। এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমরা কীভাবে একসঙ্গে সামনের দিকে এগিয়ে যাই।’ এর মাধ্যমে আগামী বছরের মার্চে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফিফা সভাপতি নির্বাচনে ইনফান্তিনোর পক্ষে অবস্থান নেয়ার বিষয়ে এশীয় অঞ্চলের ৪৭টি সদস্য দেশের অধিকাংশের ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ পায়। বর্তমানে ফিফার চতুর্থ মেয়াদে সভাপতি পদ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রচারণা চালাচ্ছেন ৫৬ বছর বয়সী ক্রীড়া সংগঠক ইনফান্তিনো। আগামী ১৮ই নভেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ সময়সীমা নির্ধারিত দিন। এখন পর্যন্ত বিশ্ব ফুটবলের অভিভাবক সংস্থায় ইনফান্তিনোর বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো শক্ত কোনো প্রার্থীর নাম সামনে আসেনি। এএফসি’র এই প্রকাশ্য সমর্থন মার্চ মাসের নির্বাচনে ইনফান্তিনোর চতুর্থবারের জন্য ফিফা সভাপতি হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ালো।