সৌদি আরবে হুথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত শাহেদ আহমেদ আশিকের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। শুক্রবার দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে তার মরদেহ বহনকারী গাড়ি পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। সন্তান, স্ত্রী ও স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।
মরদেহের সঙ্গে ঢাকা থেকে গ্রামে এসেছেন শাহেদের স্ত্রী কাকলী বেগম ও তাদের দুই সন্তান। স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পারিবারিক প্রক্রিয়া শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হবে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১০ অক্টোবর সৌদি আরবের স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান সাহেদ। বিমানবন্দরে নেমে টার্মিনাল-৩ এলাকা থেকে স্ত্রী কাকলী বেগমের সঙ্গে শেষবার ফোনে কথা বলেন তিনি। এর কিছুক্ষণ পরেই ওই টার্মিনালে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান সাহেদসহ বেশ কয়েকজন।
সাহেদের খালাতো ভাই মাসুম রানা বলেন, ‘বিমানবন্দরে নেমে সাহেদ ভাবির সঙ্গে কথা বলেছিল। তার কিছুক্ষণ পরই ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সব শেষ হয়ে যায়।’
সূত্র আরও জানায়, শাহেদের বাবা রফিকুল ইসলামও দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। ঘটনার সময় সাহেদের মা শাহেরা বেগম পবিত্র ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে ছিলেন। তবে ছেলের এই মর্মান্তিক মৃত্যুর পর চার দিন আগে তিনি দেশে ফিরে আসেন।
