ট্রাম্পের জামাতার হ্যাক হওয়া ফোনে সৌদি ও আমিরাতের সঙ্গে গোপন লেনদেনের তথ্য, যে জবাব দিলেন তিনি

ট্রাম্পের জামাতার হ্যাক হওয়া ফোনে সৌদি ও আমিরাতের সঙ্গে গোপন লেনদেনের তথ্য, যে জবাব দিলেন তিনি

ফন্ট সাইজ:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার। হোয়াইট হাউসের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা ছিলেন তিনি। পদে থাকার সময় উপসাগরীয় দেশগুলোর অর্থায়নে পরিচালিত গোপন বিদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। ভ্যানিটি ফেয়ারের এক প্রতিবেদনে ডাচ গুপ্তচরদের বরাত দিয়ে দাবি করা হয়, কুশনারের ফোনে নজরদারি চালিয়ে সৌদি, আমিরাতি ও ইসরাইলি নেতাদের সঙ্গে তার গোপন লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রথম ট্রাম্প প্রশাসনের সময় ডাচ গুপ্তচররা কুশনারের আইফোনে নজরদারি করে। তারা দেখতে পায়, কুশনার সংযুক্ত আরব আমিরাত-সংশ্লিষ্ট একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করেছিলেন, যেখানে আজারবাইজানের একটি ব্যাংক থেকে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা (৭৫ কোটি ডলার) জমা হয়েছিল। আমিরাত সরকারের অর্থায়নে পরিচালিত একটি চ্যারিটির ওই অ্যাকাউন্টে কুশনারের স্বাক্ষর করার ক্ষমতা ছিল, যদিও তিনি এর মালিক ছিলেন না।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ট্রাম্প প্রশাসনের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য পূরণে সহায়তার জন্য একটি গোপন তহবিল গঠনের পরিকল্পনা করেছিলেন। সেই পরিকল্পনা ভেস্তে গেলেও তারা কুশনারের জন্য দুটি অ্যাকাউন্টে অন্তত ২৪ হাজার কোটি টাকা (২০০ কোটি ডলার) জমা রাখেন। এছাড়া কুশনারের ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য সৌদি রাজপরিবার আরও ১২ হাজার কোটি টাকা (১০০ কোটি ডলার) স্থানান্তর করে বলে অভিযোগ রয়েছে।

তবে সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে কুশনার এসব অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন ও পুরোপুরি পাগলামি’ আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, এসব দাবির সপক্ষে ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা লেনদেনের কোনো প্রমাণ নেই। তার আইনজীবীও জানান, এমন কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্টের অস্তিত্ব নেই এবং মানহানিকর এই দাবির বিরুদ্ধে তারা আইনি ব্যবস্থা নেয়ার কথা ভাবছেন।