সাফের আগে শাস্তির বদলে রুলিং!

সাদ-সোহেলের তদন্ত শেষ

সাফের আগে শাস্তির বদলে রুলিং!

ফন্ট সাইজ:

ফিফা আসিয়ান কাপে ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯ গোলের হারের পর দুই জাতীয় ফুটবলার সাদ উদ্দিন ও সোহেল রানা জুনিয়রের নাইট ক্লাবে যাওয়ার ছবি প্রকাশ্যে আসে। এ নিয়ে সমালোচনার মুখে তদন্তের দায়িত্ব নেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল। তদন্ত শেষ হলেও শাস্তির বদলে সাফের প্রথম ম্যাচের আগে দুই ফুটবলারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নির্দেশনা দেয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। জাপান থেকে তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘তদন্ত শেষ। আমি তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সাফের প্রথম ম্যাচ শুরুর আগে একটা রুলিং দেবো।’

সাদ ও সোহেল নাইট ক্লাবে যাওয়ার কথা স্বীকার করলেও দাবি করেছেন, তারা ইন্দোনেশিয়ায় নয়, নেপালে ক্লাবে গিয়েছিলেন। সেটিও জাতীয় দলের সঙ্গে থাকা অবস্থায় নয়, ক্লাবের সঙ্গে চুক্তির পর অফ সিজনে। তবে তদন্তে ক্লাবের অবস্থান সম্পর্কে জানলেও এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি বাফুফে সভাপতি। জাতীয় দলের ফুটবলারদের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পরও তদন্তে একজনের বেশি সদস্য না থাকা এবং ঘটনার প্রায় এক মাস পর অভিযুক্তদের সঙ্গে সাক্ষাতের পরিকল্পনা নিয়ে ফুটবলাঙ্গনে আলোচনা রয়েছে। বিশেষ করে আসিয়ান কাপে দলের শৃঙ্খলা ও ঐক্যের অভাব নিয়ে কর্মকর্তাদের পর্যবেক্ষণের পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পাওয়ার কথা ছিল। এদিকে, সাফের জন্য জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরু হবে ২৫শে অক্টোবর। আসিয়ান কাপের সেটআপই সাফে রাখার চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন তাবিথ। তবে ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবুকে পরিবর্তনের দাবি থাকলেও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে জাতীয় দল কমিটি। এখনো কমিটির সভা হয়নি।

আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের ৯ গোল হজমের পর শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও ১১ই অক্টোবরের সভায় কমিটির সদস্যরা ম্যানেজার, দলনেতা ও কো-অর্ডিনেটরের প্রতিবেদন পাননি। কোচের প্রতিবেদনও তাদের সামনে উপস্থাপন করা হয়নি। সাদ-সোহেলের তদন্তের ফল কমিটিকে জানানোর কথা থাকলেও সদস্যরা এখনো তা জানেন না। ফলে তদন্তের পরিণতি ও সাফের আগে দলের ব্যবস্থাপনায় কী পরিবর্তন আসে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।