জাতীয় ব্যাডমিন্টনে রেকর্ড প্রতিযোগী নেই গতবারের চ্যাম্পিয়ন

ফন্ট সাইজ:

রেকর্ডসংখ্যক খেলোয়াড় নিয়ে আজ কোর্টে গড়াবে ‘৪০তম জাতীয় ব্যাডমিন্টন চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৬’। দেশের ব্যাডমিন্টন অঙ্গনের অন্যতম বৃহৎ এই আসরে এবার বিভিন্ন জেলা, বিভাগ, বিশ্ববিদ্যালয় ও সংস্থা থেকে সর্বমোট ৮৮টি দলের রেকর্ড ৬১৬ জন শাটলার অংশ নেবেন। গতকাল শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ ইনডোর স্টেডিয়ামে এক সংবাদ সম্মেলনে টুর্নামেন্টের সার্বিক তথ্য তুলে ধরেন বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী হাসিবুর রহমান শাকিল। শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ ইনডোর স্টেডিয়ামে ২৩ থেকে ২৮শে অক্টোবর পর্যন্ত ছয়দিনব্যাপী হবে এবারের আসর। প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

গতবার পুরুষ এককে চ্যাম্পিয়ন হওয়া শাটলার খন্দকার আব্দুস সোয়াদ এবার খেলবেন না। চোটের কারণে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছেন তিনি। ফলে পুরুষ এককে নতুন কোনো চ্যাম্পিয়ন পেতে যাচ্ছে দেশীয় ব্যাডমিন্টন। এবারের আসরে অংশ নেয়া ৬১৬ জন শাটলারের মধ্যে পুরুষ ৫৩৫ জন এবং নারী ৮১ জন। মোট পাঁচটি ইভেন্টে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এবারের টুর্নামেন্টে সর্বমোট ১০ লাখ টাকার প্রাইজমানি থাকছে। পাশাপাশি টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের হাতে তুলে দেয়া হবে একটি ইলেকট্রনিক বাইক। পুরুষ একক ও দ্বৈতে চ্যাম্পিয়নরা পাবেন ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা করে, আর রানার্সআপরা পাবেন ১ লাখ টাকা।

অন্যদিকে নারী একক ও দ্বৈতে চ্যাম্পিয়নদের দেয়া হবে ১ লাখ টাকা এবং রানার্সআপরা পাবেন ৬০ হাজার টাকা করে। মিশ্র দ্বৈতে (মিক্সড ডাবলস) চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের জন্য থাকছে যথাক্রমে ১ লাখ ও ৬০ হাজার টাকা। প্রতিযোগিতার ভেন্যু শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়ামে আলো ও শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নিয়ে দীর্ঘদিনের সমস্যাও রয়েছে। এ নিয়ে ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী হাসিবুর রহমান শাকিল বলেন, ‘আলো এখন পর্যাপ্ত রয়েছে। কিছু লাইটে সমস্যা ছিল। গতকাল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ঠিক করেছে। এসির সমস্যা অনেক দিনের। সেন্ট্রাল এসি প্রয়োজন। ডিসেম্বরে ইউনেক্স আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার আগে মন্ত্রী (যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক) সেই সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।’