বাংলাদেশের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাসের চোট নিয়ে স্বস্তির খবর দিয়েছে বিসিবি’র মেডিকেল বিভাগ। নিতম্বের জোড়ায় অস্বস্তির কারণে আবুধাবিতে চলমান ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন তিনি। চোটের পর তাকে স্ক্যান করানো হলে উইকেটকিপার-ব্যাটারের গুরুতর কোনো সমস্যা ধরা পড়েনি। তবে পেশিতে সামান্য সমস্যা আছে। কয়েকদিনের পর্যবেক্ষণের পর চোটের প্রকৃত অবস্থা বোঝা যাবে। ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবমাইট ক্রিকবাজকে বিসিবি’র মেডিকেল বিভাগের এক কর্মকর্তা এমনটাই জানিয়েছেন। বিসিবি’র ওই চিকিৎসকের আশা, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে
আসন্ন টেস্ট সিরিজে পাওয়া যাবে লিটনকে। তবে এ নিয়ে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলতে চাননি তিনি। শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গত সোমবার বিসিবি’র চিকিৎসকদের সঙ্গে দেখা করেন লিটন। তখন তার হালকা ফিজিওথেরাপি করা হয়। বিসিবি’র মেডিকেল কমিটির এক সদস্য বলেন, ‘লিটন আজ (গতকাল) আমাদের কাছে এসেছিল। স্ক্যান রিপোর্টে উল্লেখযোগ্য খারাপ কিছু পাওয়া যায়নি, তবে পেশিতে সামান্য সমস্যা রয়েছে।’ গতকাল আবার ফিজিওথেরাপি নেন লিটন। এ নিয়ে মেডিকেল কমিটির ওই সদস্য বলেন, ‘আজ (গতকাল) হালকা ফিজিওথেরাপি করিয়েছি। আগামীকালও (আজ) হালকা ফিজিওথেরাপি হবে। এরপর দুইদিন পর্যবেক্ষণ করে তার চোটের অবস্থা সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।’ বিসিবি টেস্ট সিরিজে লিটনকে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। তবে পুরোপুরি সেরে ওঠার অগ্রগতি না দেখে সিদ্ধান্ত নিতে চায় না মেডিকেল বিভাগ।
নিতম্বের জোড়ায় আপাতত বড় কোনো সমস্যা না পাওয়ার কথাও জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা। আবুধাবিতে ১৭ থেকে ২৩শে অক্টোবর হবে বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও জিম্বাবুয়ের ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ। লিটন দলের অধিনায়ক হিসেবে এই সিরিজ খেলার কথা থাকলেও নিতম্বের অস্বস্তিতে ছিটকে যান। তার অনুপস্থিতিতে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন সহ-অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। গত জুলাইয়ে মেহেদী হাসান মিরাজের জায়গায় ওয়ানডে দলের অধিনায়ক করা হয় লিটনকে। ২০২৭ বিশ্বকাপ সামনে রেখে এই সিদ্ধান্ত নেয় বিসিবি। এরপর জুলাইয়ে বাঁ পায়ের ক্যাফের চোটে জিম্বাবুয়ে সফরের দলেও ছিলেন না তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ শুরু হবে ২৮শে অক্টোবর, ঢাকায়। দ্বিতীয় টেস্ট শুরু ৫ই নভেম্বর, সিলেটে। তার আগে ২২শে অক্টোবর বসুন্ধরার আনভীর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবি একাদশের বিপক্ষে দুইদিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে সফরকারীরা। টেস্ট শুরুর হাতে সময় আছে আটদিন। এর মধ্যে লিটনের ফিটনেসের চিত্র পরিষ্কার হলে সিদ্ধান্ত নেবে বোর্ড।
