এনসিএলে দুই নাঈমের জয়জয়কার

এনসিএলে দুই নাঈমের জয়জয়কার

ফন্ট সাইজ:

দ্বিতীয় দিনে ডাবল সেঞ্চুরির আশা জাগান রাজশাহীর নাঈম আহমেদ। তৃতীয় দিনে এসে তার পূর্ণতা দেন তিনি। এটি জাতীয় ক্রিকেট লীগের (এনসিএল) এবারের মৌসুমের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি। একই দিনে ব্যাট হাতে আলো ছড়ান নাঈম শেখ। ঢাকার হয়ে সেঞ্চুরি করেন তিনি। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি নাঈম শেখের ষষ্ঠ সেঞ্চুরি। চট্টগ্রামের বিপক্ষে খুলনাকে লড়াইয়ে ফেরানো আজিজুল হাকিম তামিমও পান তিন অঙ্কের দেখা। সাজঘরে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ১৪২ রান। তবে আক্ষেপে পুড়েন তাইবুর রহমান পারভেজ ও জাওয়াদ আবরার। দু’জনই আউট হন নাইন্টিজের ঘরে। আগের দিনের ১৭৬ রানের সঙ্গে নাঈম আহমেদ দিনের শুরুতে দ্রুত ২৪ রান যোগ করে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি তুলে নেন। জাতীয় ক্রিকেট লিগের এবারের আসরের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি এটি।

২০২ রান করেন রাজশাহীর বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। বরিশালের ২২৯ রানের জবাবে রাজশাহী প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে ৭ উইকেটে ৪৫৭ রান নিয়ে। ২২৮ রানে পিছিয়ে থেকে ব্যাটিংয়ে নেমে বরিশাল ৫ উইকেটে ২৪৯ রানে দিন শেষ করে। ২১ রানের লিড পেয়েছে তারা। সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও হাতছাড়া করেছেন জাওয়াদ আবরার। ৯৪ বলে ৯ চার ও ৪ ছক্কায় ৯১ রান করেন। এ ছাড়া ত্রিশের ঘরে আটকে যান রাফসান, ফজলে মাহমুদ ও হাফিজুর। চট্টগ্রামে সেঞ্চুরির অপেক্ষায় অমিত হাসান। জাতীয় টেস্ট স্কোয়াডের এই ক্রিকেটার ৯৪ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছে। তার ব্যাটে ভর করে সিলেট বিভাগ রংপুর বিভাগের বিপক্ষে ৮ উইকেটে ২৩৫ রান তুলেছে। ১৯৮ বলে ৬ বাউন্ডারিতে ৯৪ রান করেন অমিত। এ ছাড়া সৈকত আলী ৩৬, আশরাফুল রিয়াদের ব্যাট থেকে আসে ২১ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে সিলেটের লিড ২০৮ রান। আজ চতুর্থ দিনে রোমাঞ্চ ছড়াতেও পারে চট্টগ্রামের ২২ গজে।

অমিতকে দ্রুত আউট করে জয়ের কথা চিন্তাও করতে পারে রংপুর। কক্সবাজারে নাঈম শেখ সেঞ্চুরি পেলেও হতাশায় ডোবেন তাইবুর পারভেজ। ২০৬ বলে ১৩ চার ও ৩ ছক্কায় ১৩৫ রান করেন নাঈম। তার দৃষ্টিনন্দন ইনিংস এবং তাইবুর পারভেজের ৯৩ রানে ময়মনসিংহের করা ৩৮৭ রানের জবাবে ৯ উইকেটে ৩৪২ রান তুলেছে ঢাকা। হাতে ১ উইকেট রেখে এখনো তারা ৪৫ রানে পিছিয়ে আছে। সুমন খান ১০ ও সালাউদ্দিন শাকিল শূন্য রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেন। সিলেটের একাডেমি মাঠে অসাধারণ সেঞ্চুরি তুলেছেন আজিজুল হাকিম।

খুলনার এই ওপেনার ১২ রানে দিন শুরু করে ১৪২ রানে থামেন। তার দ্যুতিময় ইনিংসে খুলনা দ্বিতীয় ইনিংসে ৩২৩ রান করে। আগের দিনের ৫৮ রানের সঙ্গে ১ রান যোগ করে আফিফ আউট হন। এরপর সব আলো আজিজুল নিজের ওপর কেড়ে নেনে। ৯ চার ও ১০ ছক্কায় ঝড়ো ইনিংস খেলে দলকে উদ্ধার করেন আজিজুল। চতুর্থ ইনিংসে খুলনা চট্টগ্রামকে ২৭৬ রানের টার্গেট ছুড়ে দেয়। কিন্তু ওই রান তাড়া করতে গিয়ে ভালো অবস্থানে নেই চট্টগ্রাম। ৫ উইকেটে ১৭৪ রানে দিন শেষ করেছে চট্টগ্রাম। ইরফান ১৫ ও শামীম ৯ রানে অপরাজিত আছেন। জিততে তাদের আরও ১০১ রান করতে হবে। খুলনার প্রয়োজন ৫ উইকেট।