কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মালিহাদ ইউনিয়নে মোবাইল ফোন চুরির অপবাদে এক যুবককে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার কার্যালয়ে আটকে রাখে। পরে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার জোয়ারদার পাড়া নিজ বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত যুবক রতন (৩৩) মালিহাদ ইউনিয়নের জোয়ারদার পাড়ার মৃত বুড়োর ছেলে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টার দিকে মোবাইল ফোন চুরির অভিযোগে রতনকে আটক করে মালিহাদ ইউনিয়ন বিএনপি’র সদস্য টিলুর লোকজন। পরে তাকে ইউনিয়ন বিএনপি’র ওই নেতার কার্যালয়ে আটকে রেখে মারধর করা হয়। ঘটনার প্রায় দুই ঘণ্টারও বেশি সময় পর স্থানীয়রা কার্যালয়ের ভেতর ফ্যানের সঙ্গে রতনের গলায় ফাঁস দেয়া ঝুলন্ত অবস্থা দেখতে পান। পরে উপস্থিত স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। তবে ততক্ষণে রতনের মৃত্যু হয়। বিএনপি নেতার কার্যালয়ে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয়।
পরে পুলিশ রাতে রতনের নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মিরপুর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম শহিদ জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
