কুড়িগ্রাম-৪ সংসদীয় আসনটি তিনটি উপজেলা (চিলমারী, রৌমারী ও রাজীবপুর) নিয়ে গঠিত। দু’টি উপজেলা ব্রহ্মপুত্র নদের ওপারে জেলা থেকে বিচ্ছিন্ন (রৌমারী ও রাজীবপুর) আর একটি উপজেলা জেলার সঙ্গে সংযুক্ত চিলমারী উপজেলা। চিলমারী উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের তিনটিই নদীর মাঝে ফলে হিসাব-নিকাশ যেমন থাকে ভোটের তেমনি থাকে ঝুঁকিতে। আসনে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৮ হাজার ৪১২ জন। এই আসনে ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৩০টি এর মধ্যে বেশির ভাগ কেন্দ্রই রয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ। সূত্র মতে- ১৩০টির মধ্যে ৭০টি ঝুঁকিপূর্ণ। চিলমারী উপজেলার সকল কেন্দ্র সিসি ক্যামেরার নজরে থাকলেও বাকি উপজেলার ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে করা হবে মনিটরিং। জাতীয় সংসদ নির্বাচন সফল করা লক্ষ্যে ইতিমধ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সূত্র মতে চিলমারী উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রিজার্ভসহ ৪ প্লাটুন, বিজিবি ২ প্লাটুন, পুলিশের মোবাইল টিম এ ছাড়াও পর্যাপ্ত পরিমাণ পুলিশ, আনসার ব্যাটালিয়ন, আনসার ভিডিপি কেন্দ্রে ও মাঠে থাকবেন। রৌমারী ও রাজীবপুরে সেনাবাহিনী না থাকলেও বিপুল পরিমাণ বিজিবি, পুলিশ ও আনসার ভিডিপি থাকবেন বলে জানা গেছে। কুড়িগ্রাম-৪ আসনে ৭ জন প্রার্থী রয়েছেন। আসনের বড় চমক দুই ভাই বড় দুই দলের প্রার্থী নিয়ে। বড় ভাই বিএনপি’র প্রার্থী মো. আজিজুর রহমান (ধানের শীষ), ছোট ভাই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মো. মোস্তাফিজুর রহমান (দাঁড়িপাল্লা), আর এক চমক হলো আসনের একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী চিলমারী উপজেলার মো. রুকুনুজ্জামান শাহিন (বালতি), এ ছাড়াও দৌড়ে রয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী মো. হাফিজুর রহমান (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির প্রার্থী কেএম ফজলুল মণ্ডল (লাঙ্গল), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ প্রার্থী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল খালেক (মই), রাজীবপুর উপজেলা থেকে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) দলের প্রার্থী রাজু আহমেদ (কাঁচি) মার্কা নিয়ে রয়েছেন লড়াইয়ে।
কুড়িগ্রাম ৪
ঝুঁকিপূর্ণ ৭০ কেন্দ্র সিসি ক্যামেরার নজরে
চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
১১ ফেব্রুয়ারি (বুধবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
