২৮শে ফেব্রুয়ারি হামলার প্রথম দিনে ইরানে বালিকাদের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলা চালায়। এতে কমপক্ষে ১৬৫টি শিশু নিহত হয়েছে। এর জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে দায়ী করা হয়। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন- বোমা হামলাটি ইরান অথবা অন্য কেউ চালিয়ে থাকতে পারে। তার এ বক্তব্যের স্বপক্ষে কোনো তথ্যপ্রমাণ দেননি। এ খবর দিয়ে অনলাইন গার্ডিয়ান বলেছে- ডনাল্ড ট্রাম্পকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, ইরানের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালানো সেই হামলার দায় যুক্তরাষ্ট্র নেবে কি না? ভিডিও প্রমাণে দেখা গেছে, স্কুলের পাশের নৌঘাঁটিতে আঘাত হানা একটি মার্কিন টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রই ওই হামলার সঙ্গে যুক্ত ছিল। এর জবাবে প্রেসিডেন্ট কোনো প্রমাণ ছাড়াই ওই ইঙ্গিত দেন। ট্রাম্প বলেন, আমাকে বলা হয়েছে বিষয়টি তদন্তাধীন। তবে টমাহক অন্যরাও ব্যবহার করে। আপনারা জানেন, আরও অনেক দেশের কাছেই টমাহক আছে। তারা আমাদের কাছ থেকে এগুলো কেনে।
ইরানের সংবাদ সংস্থা মেহর প্রকাশিত একটি ভিডিও, যা অনুসন্ধানী সংগঠন বেলিংক্যাট স্থান-নির্ধারণ করে নিশ্চিত করেছে এবং ঘটনাস্থলের অন্যান্য প্রমাণ থেকে বোঝা যায় যে, মিনাবের প্রাথমিক বিদ্যালয়টি যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সময় আঘাতপ্রাপ্ত হয়। ইরানের বৈদেশিক সংবাদ দপ্তর প্রকাশিত ফুটেজে মেয়েদের স্কুলের ভেতরের ধ্বংসযজ্ঞ দেখা যায়। অস্ত্রবিশেষজ্ঞরা গার্ডিয়ানকে বলেছেন, ভিডিওতে দেখা ক্ষেপণাস্ত্রটি স্পষ্টতই একটি টমাহক, যা চলমান এই সংঘাতে কেবল যুক্তরাষ্ট্রই ব্যবহার করছে। একজন প্রতিবেদক যখন ট্রাম্পকে চাপ দিয়ে জিজ্ঞেস করেন কেন তিনি ইরানকে দায়ী হওয়ার ইঙ্গিত দিলেন? তখন ট্রাম্প জবাব দেন, কারণ আমি এ বিষয়ে যথেষ্ট জানি না।
