মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ‘নিষেধাজ্ঞা’ ঘোষণার এক দিন পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে হোয়াইট হাউসে ঢুকতে দেয়া হয়নি সিএনএন ও এমএস নাও’র সাংবাদিকদের।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার সকালে দায়িত্ব পালনের জন্য হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গণে গেলে এমএস নাও’র একজন প্রতিবেদক ও ফটোগ্রাফারকেও প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি। একইভাবে সিএনএনের ক্লেইনকে প্রবেশে বাধা দেয়া হয় এবং তার প্রেস পাস জব্দ করা হয়েছে।
উভয় সংবাদমাধ্যমই জানিয়েছে, তাদের সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় তারা আইনি পদক্ষেপ নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সিএনএন এক বিবৃতিতে বলেছে, আজ সকালে তাদের সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউস প্রাঙ্গণে প্রবেশে বাধা দেয়া হয়েছে। মার্কিন সরকারের কার্যক্রম নিয়ে প্রতিবেদন করা থেকে বিরত রাখা হলেও তাদের সাংবাদিকতা থামবে না।
সিএনএন আরও বলেছে, মার্কিন সংবিধানের অধীনে সরকারের বাধা বা হস্তক্ষেপ ছাড়াই সংবাদ সংগ্রহ ও প্রতিবেদন করার অধিকার তাদের রয়েছে এবং এই নিষেধাজ্ঞা সেই সাংবিধানিক অধিকারের ওপর বেআইনি আঘাত।
ক্লেইন জানান, একজন সিক্রেট সার্ভিস কর্মকর্তা তাকে বলেছেন যে তার প্রেস পাস নিষ্ক্রিয় করে দেয়া হয়েছে। এক লাইভ সাক্ষাৎকারে ক্লেইন বলেন, তিনি ওই কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন কেন তার প্রেস পাস নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
এর জবাবে ওই কর্মকর্তা জানান, এ বিষয়ে তার কাছে আর কোনো তথ্য নেই। পরে ক্লেইন আবার জানতে চাইলে তাকে হোয়াইট হাউস প্রেস অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়।
এদিন এমএস নাও’র হোয়াইট হাউস প্রতিবেদক আকায়লা গার্ডনারও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানান। তিনি বলেন, একজন কর্মকর্তা তাকে ব্যাজটি হস্তান্তর করতে বলেন এবং জানান, সেটি নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে।
কেন তাকে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না জানতে চাইলে ওই কর্মকর্তা বলেন, বিষয়টি তার এখতিয়ারের বাইরে।
এর আগে শুক্রবার বিকেলে ট্রাম্প ঘোষণা করেন, সিএনএন, এমএস নাও ও পলিটিকোকে ‘অবিলম্বে’ হোয়াইট হাউস থেকে নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। এসব সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে তিনি ‘ভুয়া খবর’ প্রকাশের অভিযোগ তোলেন।
ট্রাম্প আরও ইঙ্গিত দেন, ভবিষ্যতে অন্য সংবাদমাধ্যমকেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হতে পারে।
