ইন্দোনেশিয়ার কাছে ৯ গোলের লজ্জার হারের পর নাইট ক্লাবে বাংলাদেশের দুই ফুটবলার সাদ উদ্দিন ও সোহেল রানার ছবি প্রকাশ্যে আসায় তীব্র সমালোচনা চলছে ফুটবলাঙ্গনে। বিষয়টি নিয়ে এবার তদন্তে নামছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। দুই ফুটবলারের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করবেন বাফুফে সভাপতি ও জাতীয় দল কমিটির চেয়ারম্যান তাবিথ আউয়াল।
আজ ফর্টিস ডাউনটাউনে অনুষ্ঠিত জাতীয় দল কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তাবিথ। তিনি বলেন, ‘কয়েকজন খেলোয়াড়ের নামে অভিযোগ এসেছে। ফেসবুকেও ছবি এসেছে। এই বিষয়টি আমি তদন্ত করব। ফুটবলারদের সঙ্গে বসব এবং পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেওয়া যায়, সে বিষয়ে কমিটিকে সুপারিশ করব।’
জাতীয় দলের ফুটবলারদের অফ সিজনে বিভিন্ন জায়গায় খ্যাপ খেলতে যাওয়ার বিষয়টিও উঠেছে সভায়। এর আগে এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা তথ্য পাওয়ার কথা জানাননি বাফুফে সভাপতি। তবে এবার বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা বলেছেন তিনি। তাবিথ বলেন, ‘এর আগে কয়েকজন খেলোয়াড় টাঙ্গাইলে খেলেছিল। আমরা তখন বিষয়টি উপেক্ষা করেছিলাম। কিন্তু এখন মনে করছি, সেটিও দেখা দরকার। আমরা তাদের কাউন্সেলিং করতে চাই।’
আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর ফুটবলার, কোচিং স্টাফ ও ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে বাফুফে। এ প্রসঙ্গে তাবিথ বলেন, ‘আসিয়ান কাপ নিয়ে প্রতিটি বিভাগকে জবাবদিহির আওতায় এনেছি। আমি নিজেও কমিটির কাছে জবাবদিহি করতে প্রস্তুত। খেলোয়াড়দের ব্যাপারেও আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বাফুফের পক্ষ থেকে যারা ম্যানেজমেন্টে ছিলেন, তাঁদের ব্যক্তিগতভাবেও প্রশ্ন করেছি।’
আসিয়ান কাপে তিন ম্যাচে ১৩ গোল হজম করেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে এক ম্যাচেই হজম করতে হয়েছে ৯ গোল। এমন হতাশাজনক ফলের পরও দলের পারফরম্যান্সে ইতিবাচক দিক খুঁজছেন বাফুফে সভাপতি। তাঁর ব্যাখ্যা, ‘আমরা প্রথমার্ধে ছয় গোল খেয়েছি। দ্বিতীয়ার্ধে কিন্তু এক গোল দিয়েছিলাম, আবার এক গোল খেয়েছি। এর অর্থ, আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সামর্থ্য রয়েছে। ইনজুরি সময় ছিল দুই মিনিট, কিন্তু সাত মিনিট পেরিয়ে যায়। তখন আমরা আরও দুই গোল হজম করি।’
জাতীয় দলে প্রবাসী ফুটবলারদের অংশগ্রহণ বাড়ার প্রেক্ষাপটে এবার ইংল্যান্ডসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে প্রতিভা অন্বেষণের পরিকল্পনা করছে বাফুফে। বিশেষ করে ১৪ থেকে ১৭ বছর বয়সী প্রবাসী ফুটবলারদের নিয়ে বছরে দুটি ক্যাম্প ও টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে চায় সংস্থাটি। তাবিথ বলেন, ‘আমরা ইংল্যান্ডে ১৪-১৭ বছর বয়সীদের জন্য দুটি ক্যাম্প ও টুর্নামেন্ট করতে চাই। এ বিষয়ে ফর্টিসের চেয়ারম্যান শাহাদাত সাহেব ও আমাদের আন্তর্জাতিক কমিটির সাত্তার সাহেব কাজ করবেন। ইংল্যান্ডের পাশাপাশি ইউরোপের অন্য দেশেও খেলোয়াড় খুঁজতে এ উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
শুধু জাতীয় দল নয়, ভবিষ্যতের জাতীয় দল গড়তেও পরিকল্পনা নিয়েছে বাফুফে। ফিফা উইন্ডোতে অনূর্ধ্ব-২০ দলকে দেশে-বিদেশে ম্যাচ খেলার সুযোগ করে দিতে চায় ফেডারেশন। তাবিথের ভাষায়, ‘অনূর্ধ্ব-২০ দলকেও আমরা ফিফা উইন্ডোতে ম্যাচ খেলাব। এই দলকে পরবর্তী জাতীয় দল হিসেবে তৈরি করতে চাই। এ জন্য তাদেরও দেশে-বিদেশে খেলার ব্যবস্থা করব।’
আগামী ৪ নভেম্বর ঢাকায় শুরু হবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। এ টুর্নামেন্ট সামনে রেখে ২৫ অক্টোবর থেকে জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ফিফা উইন্ডো শুরু হবে ৯ নভেম্বর। ফলে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে হামজা চৌধুরীসহ প্রবাসী ফুটবলারদের অনেককে পাওয়া যাবে না। এ কারণে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ আয়োজন করতে চায় বাফুফে। তাবিথ বলেন, ‘৯ নভেম্বর থেকে ফিফা উইন্ডো হওয়ায় প্রথম ম্যাচে অনেককে পাব না। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে কোনো ক্লাব কিংবা দেশের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে চাই।’
এদিকে দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ফুটবল লিগের মাঠের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এবড়োখেবড়ো মাঠে একের পর এক ম্যাচ হচ্ছে, আবার অনেক ম্যাচে সাত-আটটি গোলও দেখা যাচ্ছে। মাঠের বেহাল দশা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন ফুটবল দিয়ে খেলাটির উন্নয়ন কতটা সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এ বিষয়ে বাফুফে সভাপতির আশ্বাস, ‘মাঠের মান অবশ্যই একটা বিষয়। পরের রাউন্ড থেকে এটার উন্নতি হবে।’
আজ ফর্টিস ডাউনটাউনে অনুষ্ঠিত জাতীয় দল কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তাবিথ। তিনি বলেন, ‘কয়েকজন খেলোয়াড়ের নামে অভিযোগ এসেছে। ফেসবুকেও ছবি এসেছে। এই বিষয়টি আমি তদন্ত করব। ফুটবলারদের সঙ্গে বসব এবং পরবর্তী পদক্ষেপ কী নেওয়া যায়, সে বিষয়ে কমিটিকে সুপারিশ করব।’
জাতীয় দলের ফুটবলারদের অফ সিজনে বিভিন্ন জায়গায় খ্যাপ খেলতে যাওয়ার বিষয়টিও উঠেছে সভায়। এর আগে এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা তথ্য পাওয়ার কথা জানাননি বাফুফে সভাপতি। তবে এবার বিষয়টি খতিয়ে দেখার কথা বলেছেন তিনি। তাবিথ বলেন, ‘এর আগে কয়েকজন খেলোয়াড় টাঙ্গাইলে খেলেছিল। আমরা তখন বিষয়টি উপেক্ষা করেছিলাম। কিন্তু এখন মনে করছি, সেটিও দেখা দরকার। আমরা তাদের কাউন্সেলিং করতে চাই।’
আসিয়ান কাপে বাংলাদেশের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর ফুটবলার, কোচিং স্টাফ ও ফেডারেশনের কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে বাফুফে। এ প্রসঙ্গে তাবিথ বলেন, ‘আসিয়ান কাপ নিয়ে প্রতিটি বিভাগকে জবাবদিহির আওতায় এনেছি। আমি নিজেও কমিটির কাছে জবাবদিহি করতে প্রস্তুত। খেলোয়াড়দের ব্যাপারেও আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বাফুফের পক্ষ থেকে যারা ম্যানেজমেন্টে ছিলেন, তাঁদের ব্যক্তিগতভাবেও প্রশ্ন করেছি।’
আসিয়ান কাপে তিন ম্যাচে ১৩ গোল হজম করেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে এক ম্যাচেই হজম করতে হয়েছে ৯ গোল। এমন হতাশাজনক ফলের পরও দলের পারফরম্যান্সে ইতিবাচক দিক খুঁজছেন বাফুফে সভাপতি। তাঁর ব্যাখ্যা, ‘আমরা প্রথমার্ধে ছয় গোল খেয়েছি। দ্বিতীয়ার্ধে কিন্তু এক গোল দিয়েছিলাম, আবার এক গোল খেয়েছি। এর অর্থ, আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সামর্থ্য রয়েছে। ইনজুরি সময় ছিল দুই মিনিট, কিন্তু সাত মিনিট পেরিয়ে যায়। তখন আমরা আরও দুই গোল হজম করি।’
জাতীয় দলে প্রবাসী ফুটবলারদের অংশগ্রহণ বাড়ার প্রেক্ষাপটে এবার ইংল্যান্ডসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে প্রতিভা অন্বেষণের পরিকল্পনা করছে বাফুফে। বিশেষ করে ১৪ থেকে ১৭ বছর বয়সী প্রবাসী ফুটবলারদের নিয়ে বছরে দুটি ক্যাম্প ও টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে চায় সংস্থাটি। তাবিথ বলেন, ‘আমরা ইংল্যান্ডে ১৪-১৭ বছর বয়সীদের জন্য দুটি ক্যাম্প ও টুর্নামেন্ট করতে চাই। এ বিষয়ে ফর্টিসের চেয়ারম্যান শাহাদাত সাহেব ও আমাদের আন্তর্জাতিক কমিটির সাত্তার সাহেব কাজ করবেন। ইংল্যান্ডের পাশাপাশি ইউরোপের অন্য দেশেও খেলোয়াড় খুঁজতে এ উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
শুধু জাতীয় দল নয়, ভবিষ্যতের জাতীয় দল গড়তেও পরিকল্পনা নিয়েছে বাফুফে। ফিফা উইন্ডোতে অনূর্ধ্ব-২০ দলকে দেশে-বিদেশে ম্যাচ খেলার সুযোগ করে দিতে চায় ফেডারেশন। তাবিথের ভাষায়, ‘অনূর্ধ্ব-২০ দলকেও আমরা ফিফা উইন্ডোতে ম্যাচ খেলাব। এই দলকে পরবর্তী জাতীয় দল হিসেবে তৈরি করতে চাই। এ জন্য তাদেরও দেশে-বিদেশে খেলার ব্যবস্থা করব।’
আগামী ৪ নভেম্বর ঢাকায় শুরু হবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ। এ টুর্নামেন্ট সামনে রেখে ২৫ অক্টোবর থেকে জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে ফিফা উইন্ডো শুরু হবে ৯ নভেম্বর। ফলে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে হামজা চৌধুরীসহ প্রবাসী ফুটবলারদের অনেককে পাওয়া যাবে না। এ কারণে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে একটি প্রস্তুতি ম্যাচ আয়োজন করতে চায় বাফুফে। তাবিথ বলেন, ‘৯ নভেম্বর থেকে ফিফা উইন্ডো হওয়ায় প্রথম ম্যাচে অনেককে পাব না। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে কোনো ক্লাব কিংবা দেশের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে চাই।’
এদিকে দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ের ফুটবল লিগের মাঠের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এবড়োখেবড়ো মাঠে একের পর এক ম্যাচ হচ্ছে, আবার অনেক ম্যাচে সাত-আটটি গোলও দেখা যাচ্ছে। মাঠের বেহাল দশা ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন ফুটবল দিয়ে খেলাটির উন্নয়ন কতটা সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এ বিষয়ে বাফুফে সভাপতির আশ্বাস, ‘মাঠের মান অবশ্যই একটা বিষয়। পরের রাউন্ড থেকে এটার উন্নতি হবে।’
