সিজেপির বিক্ষোভে সংহতি জানাতে গিয়ে মুম্বাইয়ে বলিউড অভিনেতা ইমরান খানসহ কয়েক শ ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। এদিন মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধী, তাঁর নাতনি কস্তুরি গান্ধী এবং শিবসেনা (ইউবিটি) বিধায়ক বরুণ সারদেশাইকেও আটক করা হয়েছে।
এ ছাড়া এদিন মুম্বাইয়ের অগাস্ট ক্রান্তি ময়দানও ঘিরে রাখে স্থানীয় পুলিশ। ১৯৪২ সালে ব্রিটিশবিরোধী ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল এই ময়দান থেকে।
সেখানে তিন স্তরের ব্যারিকেডের পাশাপাশি মোতায়েন করা হয় ৫০০-এর বেশি পুলিশ সদস্য। দিনভর চেষ্টা করেও বিক্ষোভকারীরা মাঠে প্রবেশ করতে পারেননি।
ভারতের রাজধানী দিল্লিকে ঘিরে শনিবার সকাল থেকে অবরুদ্ধ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বিবিসির লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সড়কে সড়কে ব্যারিকেড, বন্ধ অফিস, দোকানপাট ও রেস্তোরাঁ। এর মধ্যেই ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) যন্তর মন্তর অভিমুখে মিছিল আটকে দিয়েছে পুলিশ।
কেন্দ্রীয় দিল্লির যন্তর মন্তরে বড় জমায়েতের প্রত্যাশা নিয়ে দিন শুরু হলেও সেখানে পৌঁছাতে পেরেছেন হাতেগোনা কয়েকজন বিক্ষোভকারী। দ্রুত তাদের সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ।
এদিন যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে আটক হন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির (এএপি) জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন এবং ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। এ ছাড়া তাদের দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতা ও কর্মীদেরকেও আটক করা হয়েছে।
শহরের অন্যত্রও সিজেপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের আটক করা হয়েছে। সিজেপির শীর্ষ নেতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাসকে বিমান থেকেই আটক করে দিল্লি পুলিশ।
এ ছাড়া বামপন্থী নেত্রী নেহা বোরাসহ অন্য যেসব কর্মী দিল্লি হাট থেকে যন্তর মন্তরের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তাদেরও আটকে নিয়ে যায় পুলিশ।
এখন পর্যন্ত কতজনকে আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সংখ্যা জানায়নি পুলিশ। তবে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেই সংখ্যা আট হাজারের বেশি।
