ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে রেকর্ডের ফুলঝুরি

ফন্ট সাইজ:

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে রোমাঞ্চের নতুন ইতিহাস রচিত হলো রাঁচিতে। ভারত বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যকার পাঁচ ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি যেন হয়ে উঠলো বাউন্ডারি আর ওভার বাউন্ডারির এক মহোৎসব। দু’দল মিলে শুক্রবারের রাতকে পরিণত করলো রেকর্ড ভাঙা-গড়ার মঞ্চে। ম্যাচে ভারতের ২৪৯ রানের পাহাড়সম লক্ষ্য তাড়া করে দারুণ জয় তুলে নিলো ক্যারিবিয়ানরা। এই জয়ে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরলো সফরকারীরা।

প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৪৯ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় ভারত। তবে এই রানকে পাত্তাই দেয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। শাই হোপ ও শেরফান রাদারফোর্ডের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ভর করে ১৮.৩ ওভারেই ৪ উইকেটে ২৫২ রান তুলে ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয় সফরকারীরা। ম্যাচটিতে তৈরি হয় বেশ কিছু চোখধাঁধানো রেকর্ড। মানবজমিন পাঠকদের জন্য সেগুলো তুলে ধরা হলো।

দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান তাড়া: ২৫০ রানের লক্ষ্য টপকে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের সর্বোচ্চ এবং বিশ্বের দ্বিতীয় সফলতম রান তাড়ার রেকর্ড গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে ২০২৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ক্যারিবিয়ানদের দেয়া ২৫৯ রান তাড়ার কীর্তি। হোপের বিধ্বংসী সেঞ্চুরি: মাত্র ৪৫ বলে অপরাজিত ১০২ রানের এক ঝড়ো ইনিংস খেলেন শাই হোপ। অক্ষর প্যাটেলের বলে ছক্কা হাঁকিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পাশাপাশি জয় নিশ্চিত করেন তিনি। এটি তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি। এর মাধ্যমে ক্রিস গেইল ও এভিন লুইসের পর উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে একাধিক শতক হাঁকানো ক্যারিবিয়ান ব্যাটারদের ক্লাবে নাম লেখান তিনি। একই সঙ্গে ভারতের বিপক্ষে এটি যৌথভাবে দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির রেকর্ড।

ম্যাচে রানের পাহাড়: দুই দল মিলিয়ে ম্যাচে মোট রান উঠেছে ৫০১টি, যা পুরুষদের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এর আগে ২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচে হয় সর্বোচ্চ ৫১৭ রান।

চার-ছক্কার রেকর্ড: পুরো ম্যাচে মোট ৭৯টি বাউন্ডারি (৪৬টি চার এবং ৩৩টি ছক্কা) দেখে ক্রিকেট বিশ্ব। টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে এটি যৌথভাবে তৃতীয় সর্বোচ্চ বাউন্ডারির রেকর্ড। থামলো আইয়ারের জয়রথ: এই হারের ফলে ভারতীয় অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারের জয়যাত্রা থামলো। গত জুলাই থেকে টানা ১০টি ম্যাচ জেতার পর অধিনায়ক হিসেবে এটিই তার প্রথম হার।