বাংলাদেশ দলের সামনে ‘রহমত প্রাচীর’

বাংলাদেশ দলের সামনে ‘রহমত প্রাচীর’

ফন্ট সাইজ:

আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে চার উইকেটে ২১১ রান সংগ্রহ করে আফগানিস্তান। বাংলাদেশ দলের প্রথম ইনিংসের ৩৪৬ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৩৫ রানে পিছিয়ে আফগানরা। গতকাল দিন শেষে ক্রিজে ৮৪ রান করে প্রাচীর হয়ে আছেন রহমত শাহ। তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন ২৬ রান করা ইকরাম আলিখিল। ইনিংসের শুরুতেই ১৭ রান করা সেদিকউল্লাহ আতালকে উইকেটের পেছনে তানজিদ হাসানের ক্যাচ বানিয়ে সাজঘরে পাঠান হাসান মাহমুদ। এরপর আব্দুল মালিক এবং রহমত শাহ তৃতীয় উইকেটে ৭০ রান যোগ করেন। ইবাদত হোসেনের বলে ৬২ রান করে উইকেটের পেছনে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দেন ওপেনার মালিক। এর পাঁচ বল পরেই মেহেদী হাসান মিরাজের বলে স্টাম্পড হন হাসমাতুল্লাহ শহীদি। দুই বল খেলে শূন্য রানে আউট হন আফগান ব্যাটার। দিন শেষে ৭৯ ওভার ব্যাট করে চার উইকেটে ২১১ রান তোলে আফগানিস্তান।

বাংলাদেশের পক্ষে ইবাদত হোসেন ২৫ রানে দুইটি এবং হাসান মাহমুদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ একটি করে উইকেট পান। তাইজুল ইসলাম ২১ ওভার বোলিং করে ৪৪ রান দেন। নাঈম হাসান ১০ ওভার বোলিং করে ৩৭ রান দিলেও উইকেট পাননি। গতকাল আট উইকেটে ৩১৭ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। আগের দিন থেকে ক্রিজে থাকা ব্যাটার নাঈম হাসান এবং তাইজুল ইসলাম স্কোরবোর্ডে ২৯ রান যোগ করেন। দলের ৩ ৩৫ রানের মাথায় মোহাম্মদ সেলিমের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তাইজুল। ২০ বল খেলে ৯ রান করেন তিনি। এরপর হাসান মাহমুদ চার বল খেলে দুই রান করে সেলিমের বলে বোল্ড হন। ইবাদত হোসেন সাত বল খেলে কোনো রান না করেই ইয়ামিন আহমদজাইর শিকার হন। ৯২.৩ ওভারে ৩৪৬ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।

অন্য প্রান্তে ৬৭ বল খেলে ৩৫ রানে নটআউট থাকেন নাঈম। প্রথম ইনিংসে তানজিদ হাসান ৮৩, সাদমান ইসলাম ৬৭ এবং লিটন দাস ৫৩ রান করেন। আফগানিস্তানের পক্ষে সেলিম ৮২ রানে চার উইকেট পান। এছাড়া ইয়ামিন আহমদজাই তিনটি এবং ইসমত আলম দুইটি উইকেট নেন। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই উইকেট হারায় আফগানিস্তান। দলীয় ৩০ রানের মাথায় ১০.৩ ওভারে হাসানের বলে স্লিপে তানজিদের ক্যাচ হয়ে ফেরেন আতাল। ৩১ বল খেলে ১৭ রান করেন তিনি। এরপর ব্যাট করতে নামেন শহিদুল্লাহ। ২১তম ওভারে ইবাদতের বলে ক্যাচ দেন তিনি। ৪৪ বল খেলে ২০ রান করেন শহিদুল্লাহ। এরপর রহমতের সঙ্গে জুটি গড়েন ওপেনার মালিক।

দুজনে মিলে তৃতীয় উইকেটে ৭০ রান যোগ করেন। ৮৭ বল খেলে ৫০ রান করেন মালিক। শেষ পর্যন্ত ইবাদতের বলে লিটনের ক্যাচ হন তিনি। ১২০ বল খেলে ৬২ রান করেন মালিক। তিনি মারেন চারটি চার ও একটি ছক্কা। এরপরই মিরাজের বলে স্টাম্পড হন শহীদি। পাঁচ রানের ব্যবধানে দুই উইকেট হারায় আফগানিস্তান। ১৩৯ রানে চার উইকেট হারানোর পর ক্রিজে যোগ দেন ইকরাম আলিখিল। রহমত ও ইকরাম পঞ্চম উইকেটে ১৯৪ বল খেলে ৭২ রান যোগ করেন। ১৮৬ বল খেলে আটটি চার ও একটি ছক্কায় ৮৪ রানে ক্রিজে আছেন রহমত। অন্য প্রান্তে ৯১ বল খেলে ২৬ রানে ক্রিজে আছেন ইকরাম। গতকাল দিন শেষে চার উইকেটে ২১১ রান তোলে আফগানিস্তান।