ওয়ান্ডারার্সের জালে সাত গোল কিংসের

ওয়ান্ডারার্সের জালে সাত গোল কিংসের

ফন্ট সাইজ:

বাংলাদেশ ফুটবল লীগে প্রথম ম্যাচে ধাক্কা খাওয়ার পর দারুণভাাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বসুন্ধরা কিংস। গতকাল কিংস অ্যারেনায় তারা ৭-০ গোলে হারিয়েছে ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবকে। ফেডারেশন কাপের সর্বশেষ দেখায় ওয়ান্ডারার্সের বিপক্ষে ৫-০ ব্যবধানে জিতেছিল কিংস। সেদিনের জোড়া গোলদাতা সাব্বির হোসেন গতকাল হ্যাটট্রিক পেয়েছেন। দু’টি গোল করেছেন রাকিব হোসেন।

প্রতিপক্ষকে নিয়ে ‘ছেলেখেলার’ ইঙ্গিত যেন শুরুতেই পেয়েছিল কিংস। বেরসিক বৃষ্টিকে সঙ্গী করে ওয়ান্ডারার্সকে নিয়ে খেললেন সাব্বির-রাকিবরা। ম্যাচের ২৮ সেকেন্ডে গোলের দেখা পায় কিংস। গোলটি করেন নেপালের ফরোয়ার্ড মনিশ। অ্যাসিস্ট করেন আবারও কিংসে ফেরা ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার রবসন রবিনহো। সেই গোলের রেশ শেষ হতে না হতেই দ্বিতীয় লিড নেয় কিংস। এবার ৫ মিনিটে গোলটি করেন সাব্বির। একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ফেডারেশন কাপে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। পিছিয়ে পড়া ওয়ান্ডারার্সের বিপদ বাড়ান গোলরক্ষক জসিম উদ্দিন। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে বল ক্লিয়ার করতে গোলবার ছেড়ে বেরিয়ে আসেন জসিম। প্রথম স্লাইডে বল কিছুটা ক্লিয়ার করেনও এই গোলরক্ষক। তবে ফিরতি সুযোগে কিংসের একজন ফুটবলার শট নিলে বল হাত দিয়ে ঠেকিয়ে দেন তিনি। রেফারি লাল কার্ড দেখাতে আর দেরি করেননি। ১০ জন নিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে খেলতে নেমে কিংসের খেলোয়াড়দের উদযাপনই শুধু দেখল ওয়ান্ডারার্স।

ম্যাচে ফেরা হয়নি কখনোই। ব্যবধান কমানো দূরের কথা, উল্টো এই অর্ধে ৫ গোল হজম করে। শুরুটাও হয় বিরতির পর পরেই। ৪৯ মিনিটে দলের তৃতীয় ও নিজের দ্বিতীয় গোল করেন সাব্বির। ম্যাচের ৬৯ মিনিটে পেনাল্টি পায় কিংস। রাকিবকে বক্সের মধ্যে ফাউল করেন ওয়ান্ডারার্সের এক ডিফেন্ডার। সফল স্পটকিক নিয়ে স্কোরকার্ডেও নাম তোলেন তিনি। ৮৭ মিনিটে করেন আরেকটি গোল। বাংলাদেশি উইঙ্গারের গোলের রেশ শেষ না হতেই হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন সাব্বির। ক্যারিয়ারে প্রথমবার হ্যাটট্রিক পেয়েছেন সাব্বির। ৮৮ মিনিটে গোলটি করেন তিনি। এরপরে রেফারি শেষ বাঁশি বাজান। তাতে যেন হাঁফছেড়ে বাঁচে ওয়ান্ডারার্স। ৭-০ গোলের জয়টি লীগে কিংসের এবারের মৌসুমে প্রথম। আরামবাগের সঙ্গে প্রথম ম্যাচে ড্র করেছিল কিংস।