দায় নিয়েই সমস্যা সমাধানের আশ্বাস আলমগীরের

দায় নিয়েই সমস্যা সমাধানের আশ্বাস আলমগীরের

ফন্ট সাইজ:

জাতীয় ক্রিকেট লীগে (এনসিএল) এবারই প্রথম চালু হয়েছে সেকেন্ড ইলেভেন চ্যাম্পিয়নশিপ। প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া ক্রিকেটারদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের ক্রীড়াপল্লীতে। তবে সেখানে আবাসনসহ নানা অব্যবস্থাপনা নিয়ে গত দুইদিন ধরে চলছে সমালোচনা। বিষয়টি নিয়ে এবার দায় স্বীকার করে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন বিসিবি’র টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর।
গতকাল শেরেবাংলায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ক্রীড়াপল্লীর আবাসন সমস্যাসহ ঘরোয়া ক্রিকেটের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন আলমগীর। তিনি বলেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) আবাসন নিয়ে যে সমস্যাটি হয়েছে, আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সেটি সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছি।

আসলে ঘরোয়া ক্রিকেটকে শক্তিশালী করতে হবে, এর কাঠামো শক্তিশালী করতে হবে। কোনো সমস্যা আমরা ফেলে রাখছি না, সঙ্গে সঙ্গে তা সমাধানের চেষ্টা করছি। এই দায় আমি নিতে চাই। আমি এবং আমাদের বোর্ড দায় নিয়েই এসব সমস্যা সমাধান করতে চাই। কোনো ধরনের সুপারিশ আমরা আমলে নিইনি।’ ঘরোয়া ক্রিকেটে এবার একাধিক পরিবর্তন ও নতুন উদ্যোগ নিয়েছে বিসিবি। এরই অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো একই সময়ে দু’টি দীর্ঘ সংস্করণের ক্রিকেট আয়োজন করা হচ্ছে। নতুন এই উদ্যোগে শুরুতে কিছু সমস্যা তৈরি হতে পারে বলেও স্বীকার করেছেন আলমগীর। তবে সেগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি। বিসিবি’র এই পরিচালক বলেন, ‘আমরা একটি নতুন দিনের শুরু করেছি, একটি নতুন ফরম্যাট চালু করেছি। বর্তমান বোর্ড ঘরোয়া ক্রিকেটকে পুনর্গঠনের জন্য সবাই মিলে কাজ করছে। শুরুতে কিছু সমস্যা থাকবেই। বাংলাদেশে একই সময়ে দু’টি দীর্ঘ সংস্করণের ক্রিকেট চালু করার ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি। এটি চালু করতে গিয়ে মাঠ ও আবাসন নিয়ে কিছু সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছি। পাশাপাশি আবাসনেরও সমস্যা রয়েছে।

এসব বিষয় নিয়ে আমরা কাজ করছি।’ ক্রীড়াপল্লীর আবাসন সমস্যা নিয়ে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালও কথা বলেছেন। তিনি জানিয়েছেন, সমস্যা দেখা দেয়ার পর থেকেই সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো সমাধানে কাজ করছে। তামিম বলেন, ‘আমাদের বোর্ড সভাপতি গতকালও বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন। যে সমস্যাগুলো সামনে আসছে, সেগুলো দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করছি। আবাসন নিয়ে যে সমস্যা হয়েছে, সেটি নিয়ে গতকাল থেকেই আমাদের লজিস্টিক বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো কাজ করছে। আমরা আশা করছি, কোনো সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে সেটি সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হবে।’ নতুন এই প্রতিযোগিতা ঘিরে শুরুতেই যেন অব্যবস্থাপনা বড় আকার ধারণ না করে, সেদিকেই এখন নজর বিসিবি’র। আলমগীরের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘরোয়া ক্রিকেটের কাঠামো শক্তিশালী করার পথে যেসব সমস্যা সামনে আসছে, সেগুলো এড়িয়ে না গিয়ে দায় নিয়ে সমাধানের পথেই হাঁটতে চায় বর্তমান বোর্ড।