কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার রতনপুরে অরক্ষিত রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় পাহাড়িকা এক্সপ্রেস ট্রেনের ধাক্কায় জিহাদুল ইসলাম (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। গতকাল দুপুরে উপজেলার রতনপুর এলাকার চানগাঁও রেলক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জিহাদুল ছোট শরীফপুর ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি হেকেম লিমিটেড নামে একটি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানে লালমাই উপজেলার এরিয়া ফিল্ড অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রতনপুরের চানগাঁও এলাকার এ রেলক্রসিংয়ে দীর্ঘদিন ধরে কোনো গেটম্যান বা নিরাপত্তাবেষ্টনী নেই।
ফলে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়েই পথচারী, মোটরসাইকেল ও বিভিন্ন যানবাহন রেললাইন পারাপার করে। মঙ্গলবার দুপুরে জিহাদুল ইসলাম মোটরসাইকেল নিয়ে রেলক্রসিং অতিক্রম করার সময় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী পাহাড়িকা ট্রেনের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান। বারপাড়া এলাকার বাসিন্দা জসিম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এখানে এর আগেও ৪ জন স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। নিরাপত্তার ন্যূনতম ব্যবস্থা না থাকায় আজ আরও এক কর্মজীবী মানুষের প্রাণ গেল। কুমিল্লা রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (উপ-পরিদর্শক) সোহেল মোল্লা জানান, রেলক্রসিংটিতে কোনো গেটম্যান কিংবা সুরক্ষাবেষ্টনী না থাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। কুমিল্লা স্টেশন মাস্টার শেখ আনোয়ার হোসাইন বলেন, বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলবো।
