নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের ‘সিন্ডিকেট’ বলে কোনো শব্দ থাকবে না: খাদ্যমন্ত্রী

ফন্ট সাইজ:

দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের ‘সিন্ডিকেট’ বলে কোনো শব্দ যেন না থাকে তার জন্য সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। তিনি বলেন, সিন্ডিকেটের কারণে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই বাজারে সিন্ডিকেট বলে কোনো শব্দ বা গোষ্ঠীর অস্তিত্ব না রাখাই সরকারের লক্ষ্য। মঙ্গলবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সাইলো এলাকায় সরকারি খাদ্য সংরক্ষণাগার ও বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। খাদ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য জনগণের কাছে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী খাদ্য মন্ত্রণালয় এ লক্ষ্যেই কাজ করছে। বাজার পরিস্থিতি, খাদ্যের মজুত এবং সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়নি।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে খাদ্য সরবরাহ বা বাজার ব্যবস্থাপনায় কোনো সমস্যা দেখা দিলে তা দ্রুত সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। পুষ্টিকর চাল উৎপাদন প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, প্রকল্পটি কবে উদ্বোধন বা চালু করা হবে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে যত দ্রুত সম্ভব প্রকল্পটি চালুর উদ্যোগ নেয়া হবে। এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ঢাকার পোস্তগোলা সরকারি আধুনিক ময়দা মিলে গিয়ে পরিদর্শন কার্যক্রম শুরু করেন খাদ্যমন্ত্রী। পরে দুপুর ১টার দিকে তিনি নারায়ণগঞ্জ সাইলোতে পৌঁছান। সেখানে সাইলো এবং এর ভেতরে থাকা নারায়ণগঞ্জ প্রিমিক্স কার্নেল মিলের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ, মজুত সক্ষমতা, মিলের উৎপাদন কার্যক্রম ও সামগ্রিক খাদ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি বিভিন্ন স্থাপনার কার্যক্রমের খোঁজখবর নেন এবং কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। এ সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, নাসিক প্রশাসক এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা ও খাদ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।