Warning: unserialize(): Extra data starting at offset 670227 of 670228 bytes in /var/www/vhosts/mzamin.com/httpdocs/app/core/FileCache.php on line 26
সাটুরিয়ায় ভাবী-ভাতিজা হত্যা মামলায় দেবরের ১০ বছর কারাদণ্ড - MZamin

সাটুরিয়ায় ভাবী-ভাতিজা হত্যা মামলায় দেবরের ১০ বছর কারাদণ্ড

ফন্ট সাইজ:

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় পরকীয়ার সম্পর্কের জেরে ভাবী ও শিশু ভাতিজাকে হত্যা মামলায় দেবর সোলাইমান হোসেনকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদানও করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে মানিকগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ বিচারিক আদালতের বিচারক এস কে এম তোফায়েল হাসান আসামির উপস্থিতিতে এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। দণ্ডিত সোলাইমান (৩৫) সাটুরিয়া সদর ইউনিয়নের কাউন্নারা এলাকার আব্দুল নুর কারীর ছেলে। হত্যাকাণ্ডের শিকার পারভিন আক্তার (৩০) সাটুরিয়া সদর ইউনিয়নের কাউন্নারা এলাকার মো. আশরাফ আলী ওরফে মজনুর স্ত্রী এবং পারভিনের শিশু ছেলে নুর মোহাম্মদ (৯)। দণ্ডিত সোলাইমান হোসেন নিহত পারভিন আক্তারের দেবর এবং শিশু আব্দুল নুরের চাচা। এজাহারে জানা যায়, দীর্ঘ ৬ বছর ভাবীর সঙ্গে দেবর সোলাইমানের পরকীয়া সম্পর্ক চলছিল।

এরপর দেবর সোলাইমান বিদেশ থেকে ফেরার পর ভাবী পারভিন তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। তারই ধারাবাহিকতায় তারা ২০২০ সালের ৯ই জানুয়ারি এক সঙ্গে রাত কাটান এবং ওই রাতেই দেবরকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সোলাইমান তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে। কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে সোলাইমান ক্ষিপ্ত হয়ে চাকু দিয়ে ভাবীকে গলায় আঘাত করে হত্যা করে। তারপর ভাতিজা আব্দুল নুর তাকে চিনে ফেলায় তাকেও চাকু দিয়ে হত্যা করে। ঘটনার পরদিন নিহতের মা জমিরন বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা পরিচয়ে আসামি করে সাটুরিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার পর থানা পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সাটুরিয়া থানার ওসি (তদন্ত) আবুল কালাম তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ১৪ই মে সোলাইমানকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। তারপর মামলায় উভয়পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে সন্দেহাতীতভাবে দোষী প্রমাণিত হওয়ায় জেলা ও দায়রা জজ বিচারিক আদালতের বিচারক তাকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আ. ফ. ম নূরতাজ আলম বাহার রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে রায়ের কপি উচ্চ আদালতে গেলে উচ্চ আদালত রায়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন। তবে আসামি পক্ষের আইনজীবী মাহাবুবুল ইসলাম আসামিকে নির্দোষ দাবি করে উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন।