চূড়ান্ত সুপারিশের পরও আটকে গেল নিয়োগ, কারণ অজানা

ফন্ট সাইজ:

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার সব ধাপ পেরিয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও চাকরি হয়নি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের দুই তরুণÑ জুবায়েরুল ইসলাম ও রুবেল মিয়ার। পুলিশ ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হওয়ার পর তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে যায়। তবে কী কারণে তাদের বাদ দেয়া হয়েছে, তা স্পষ্টভাবে জানানো হয়নি বলে তাদের দাবি। নবীনগরের সাতঘরহাটি গ্রামের রুবেল মিয়া (৩১) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে আবেদন করেন। চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পর আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতদের চাকরির খবরও জানিয়েছিলেন তিনি। পরে নিয়োগ না হওয়ায় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছেন বলে জানান রুবেল। রুবেল বলেন, আমার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই।

রাজনৈতিক সম্পৃক্ততাও নেই। কেন নিয়োগ আটকে আছে, তা বুঝতে পারছি না। বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি জানাই। অন্যদিকে নবীনগর পৌর এলাকার কলেজপাড়ার মো. জুবায়েরুল ইসলাম (৩১) ও একইভাবে চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েছিলেন। তার দাবি, শিক্ষাগত যোগ্যতা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, স্থায়ী ঠিকানা কিংবা মামলাÑ কোনো বিষয়েই তার সমস্যা নেই। এরপরও যাচাইয়ে ত্রুটির কথা বলে নিয়োগ আটকে দেয়া হয়েছে। তবে ত্রুটিটি কী, তা জানানো হয়নি। জুবায়েরুল বলেন, আমি কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে চাই না। শুধু জানতে চাই, চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও আমাকে কেন নিয়োগ থেকে বঞ্চিত করা হলো। কোনো ভুল থাকলে সেটিও স্পষ্টভাবে জানানো হোক।

এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শামসুর রহমান বলেন, এবারের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভেরিফিকেশনে দু’জন বাদ পড়েছেন। বিভিন্ন কাগজপত্রের জটিলতা বা মামলা-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে কেউ বাদ পড়তে পারেন। নিয়োগের বিষয়ে মহাপরিচালক স্যারের কাছ থেকে নির্দেশনা আসে। তবে দুই প্রার্থীর দাবি, তাদের ক্ষেত্রে নিয়োগ বাতিলের সুনির্দিষ্ট কারণ জানানো হয়নি। তাই চূড়ান্ত সুপারিশের পরও কেন তাদের নিয়োগ হলো না, সে বিষয়ে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা চান তারা।